×
সদ্য প্রাপ্ত:
এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১০-২০
  • ১৫৮ বার পঠিত
মোঃ হযরত আলী (রানা), স্টাফ  রিপোর্টার:


সবার অভিযোগ শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ বলে তারা অন্যায় করে, কেউ বলে তারা উদাসীন, কেউ বলে তারা দুর্নীতিগ্রস্ত, কিন্তু কখনোও কি আমরা ভেবে দেখেছি ,পুলিশ কার কাছে অভিযোগ করবে, দিনের পর দিন,রাতের পর রাত, একটানা দায়িত্বের ভারে তারা দাঁড়িয়ে থাকে জনতার নিরাপত্তার প্রহরী হয়ে, আমরা দেখেছি গাজীপুর জেলা মেট্রোপলিটন জিএমপি ট্রাফিক  বিভাগের  ( ডিসি )এস এম আশরাফুল আলম। গাজীপুর আসার পর থেকে চিত্র পাল্টে গেছে। আগের মত ঢাকা মহা সড়ক বিআরটি রোডে কোথাও কোন গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। তিনি রাস্তার  যানজট মুক্ত  রাখতে  স্কুল  কলেজ  অফিসগামী ও জনগণের  যাতায়াত সুবিধার্থে নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী অক্লান্ত পরিশ্রম করে দক্ষতার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন জিএমপি ট্রাফিক বিভাগের ( ডিসি) এস এম আশরাফুল আলম, আরোও বলেন আমি ভিআইপি সুবিধা চাইনি। আমি রুটিন অনুযায়ী  সব সময় জনগনের নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করে যেতে চাই। এদিকে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ রোদ বৃষ্টি, ঝড় তুফান, অপেক্ষা করে, রাস্তার মোড়ে, আদালতের সামনে, রাজপথে, কিংবা অন্ধকার গলিতে সবচেয়ে যে মানুষটি আগে পৌঁছে  যায় সেই হচ্ছে পুলিশ। তবুও সমাজে তাদের নামের পাশে লেখা থাকে। অভিযোগ শব্দটি। অভিযোগের বার তারা নিতে নিতে শরীর  মন আজ ক্লান্ত। এদিকে তারা মানুষ, অন্যদিকে পেশার কঠোর নিয়মে বাধা। কখনোও রাজনৈতিক  চাপ। কখনোও জনতার রাগ। আবার কখনোও নিজের জীবনের ঝুঁকি। সব মিলিয়ে এক অদৃশ্য যন্ত্রণার বার ভয়ে চলেছে তারা। অথচ তাদের কন্ঠ কেউ শোনে না। আমরা দেখি না সেই পুলিশ সদস্যকে যিনি ঈদের রাতে সন্তানকে রেখে টহলে যান। দেখি না সেই নারী পুলিশকে যিনি রাত্রিবেলা ভিগটিমের পাশে দাঁড়িয়ে সান্তনা দেন। দেখিনা সেই ট্রাফিক সার্জেন্ট কে ঘন্টাকানেক রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। অথচ এক ফোটা পানি খেতেও ভুলে যান। পুলিশ ও মানুষ, তাদেরও কষ্ট আছে, ক্লান্তি আছে, স্বপ্ন আছে। সমাজ  যদি শুধু ত্রুটি খোঁজে উৎসর্গকে না দেখে। তবে মনোবল হারায় পুরো বাহিনী। এখন সময় এসেছে  ভারসাম্যের চোখে দেখার। ভুল থাকলে সমালোচনা হোক। কিন্তু পাশাপাশি স্বীকৃতিও আসুক  তাদের  ভাগ্যের  জন্য। অভিযোগের ভার কমাতে হলে দরকার সহমর্মিতা। বোঝাপড়ায় সংস্কারের  মনোভাব। শেষে একটি কথাই বলবো, যে সমাজ নিজের প্রহরীদের সম্মান করতে শেখে না। সে সমাজ কখনো সত্যিকারের নিরাপদ হতে পারে না। আসুন আমাদের মনের ভাব চিন্তা ভাবনা পাল্টিয়ে সবাই মিলে দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে কাজ করি। তবেই হবে আপনার আমার চলার সুব্যবস্থা। ট্রাফিক আইন মেনে চলি রাস্তায় সুশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনি। এটা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat