×
সদ্য প্রাপ্ত:
ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-১৯
  • ১৬৮ বার পঠিত

খন্দকার মোহাম্মাদ আলী, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :


গণতন্ত্রের মঞ্চে নানা মতাদর্শের নেতা একটিই লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করেন—মানবকল্যাণ। জনগণও তাদের বক্তব্য, প্রতিশ্রুতি আর সেবার আশায় আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করে। কিন্তু অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই নেতার জীবনে নেমে আসে বাধা, প্রতিবন্ধকতা আর নানা বিপত্তি। সেই ভারে ডুবতে থাকে জীবনযাত্রা, থমকে যায় স্বপ্ন।


প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় মানুষ হতাশ হয়, আবারও আশায় বুক বাঁধে। রাজনীতির মাঠে অনেকেই নেতার কাছে ঘনিষ্ঠতার ভান করে সুযোগ নেয়ার আশায় ভিড় করে। কাজের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা তারা অজুহাতকে হাতিয়ার বানায়। হতাশায় আচ্ছন্ন করে রাখে নেতাকে, আর গোপনে তার ব্যর্থতার দায় চাপিয়ে দেয়। তবুও জনগণ ছাড়ে না—তারা ধরে রাখে গণতন্ত্রের মঞ্চে নেতার উচ্চারিত প্রতিশ্রুতির সারাংশ।


অনেক নেতা শেষ পর্যন্ত মুখোশের আড়ালে নিজেকে গুটিয়ে নেন। কেউ রাজনীতি ছেড়ে জীবিকার বাস্তবতায় ফিরে যান। কিন্তু রাজনীতির মঞ্চে দেখা প্রতিচ্ছবি তাদের তাড়া করে বেড়ায়, যেন এক নীরব আর অদৃশ্য অপরাধবোধ। আদর্শ খুঁজতে গিয়ে অনেকেই নিজের ব্যক্তিত্ব, সততা আর জীবনযাত্রা বিসর্জন দেন। সংসার ভেঙে যায়, পরিবার থেকে দূরে সরে যায়, শেষ পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে স্বস্তির নিশ্বাস। তাদের নীরব যন্ত্রণায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।


গণতন্ত্রের মঞ্চে নতুন মুখ এলে আবারও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বিজয়ের মিছিল, ফুলের মালা, আনন্দ-উল্লাস। জনতা আবারও খোঁজে প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে দেখা যায়—রাজনীতিতে অপরাধের চাষাবাদই যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিহিংসায় তৈরি হয় মামলার ফাঁদ, যেখানে পড়ে অসংখ্য যোগ্য, দেশপ্রেমিক, বিচক্ষণ নেতার জীবন অকালেই নিভে যায়। তাদের শূন্যতা পূরণে প্রকৃতি যেন নিজের অদৃশ্য কারিগরের ভূমিকায় নতুন প্রতিচ্ছবি গড়ে তুলতে চেষ্টা করে।


প্রজন্মের মানুষ অবিনশ্বর নয়। সবাই একদিন প্রকৃতির বিধানে গন্তব্যে পৌঁছাবে। পৃথিবী তার নিয়মেই চলবে। কিন্তু প্রশ্ন থাকে—জনগণের জীবন কি শুধু রাজনীতিবিদদের নির্দেশ মানতে মানতেই কাটবে? যুগের পর যুগ কি এমনই আনুগত্য আর হতাশায় ডুবে থাকতে হবে? নিজেরাই নিজের কর্মফলে অপরাধের জালে জড়িয়ে পড়ে একে অপরকে দোষারোপ করবে—এটাই কি ভবিষ্যৎ?


এই চর্চার ফলে গণতন্ত্রের মঞ্চ একসময় হয়ে ওঠে নাটকের আসর। কখনো হাসি, কখনো কান্না, কখনো মৃত্যুদণ্ডের দৃশ্য—এভাবেই রাজনীতির উর্বর মাটিতে জন্ম নেয় অপরাধীদের আধিপত্য। প্রকৃতি নীরবে সব কিছুর সাক্ষী হয়ে থাকে।


রাজনীতির মাঠ অনেকটা খেলাধুলার মতো। কেউ জেতে, কেউ হারে। বিজয়ীরা ট্রফি নিয়ে ঘরে ফেরে, তাজা উদ্যমে নতুন প্রস্তুতি নেয় আগামীর জন্য । আর জনগণ  তারা ঘড়ে ফেড়ে  শূন্য হাতে—শুধু দর্শক হয়ে গণতন্ত্র নামের এই জীবনমঞ্চে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat