×
সদ্য প্রাপ্ত:
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-২০
  • ১৭০ বার পঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা, খিলক্ষেত :


খিলক্ষেত থানার ৪৩ নং ওয়ার্ডের ডুমনি এলাকা এখন স্থানীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। অভিযোগ উঠেছে, ডুমনি জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি "হাইব্রিড" ও মূলধারা-বিচ্ছিন্ন অংশ ক্ষমতাশীন দলের সহযোগী বা স্থানীয় নেতাদের অবৈধভাবে 'পুনর্বাসন' এবং 'মাসোহারা বাণিজ্যের' মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় বিএনপি কর্মী নাসু (বাবুর্চি) এবং তার ছেলে ইয়ামিনকে।
​মূল অভিযোগ ও মাসোহারা বাণিজ্যের প্রক্রিয়া
​সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডুমনি টেকপাড়ার চিহ্নিত বিএনপি কর্মী নাসু দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সহযোগী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা বা আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। এই লেনদেনের মাধ্যমে তারা অবৈধ কার্যকলাপ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারে সহায়তা করে বলে অভিযোগ।
​অভিযোগ রয়েছে, নাসু সক্রিয়ভাবে ডুমনি বিএনপি'র মূলধারার বাইরে থাকা "রেজাউল মেম্বার গ্রুপ"-এর অন্যতম সদস্য হিসেবে কাজ করেন। এই বিদ্রোহী অংশটিই স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশকে ডুমনিতে নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা ‘অভয়ারণ্য’ তৈরি করে দিয়ে অবৈধ সুবিধা আদান-প্রদান করছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।
​নেপথ্যে ইয়ামিনের ভূমিকা ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য
​নাসুর এই মাসোহারা বাণিজ্যের সিন্ডিকেটে সরাসরি সহায়তা করছেন তার ছেলে ইয়ামিন। খিলক্ষেত থানায় বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। কিছুদিন পূর্বে ইয়ামিন সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।
​জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ইয়ামিন ডুমনিতে পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং অভিযোগ অনুযায়ী, পুরানো মাসোহারা বাণিজ্যের সিন্ডিকেটটিকে নতুন করে সুসংগঠিত করে তোলেন। স্থানীয় মহল মনে করছে, এই সিন্ডিকেট আবারও ডুমনি এলাকায় চাঁদাবাজি ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
​তদন্তের দাবি ও নাগরিক সমাজের আহ্বান
​এই গুরুতর অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন অবিলম্বে এই মাসোহারা বাণিজ্য সিন্ডিকেটকে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। তাদের আহ্বান, অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সিন্ডিকেটে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ডুমনি এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat