×
সদ্য প্রাপ্ত:
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী: রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা এনবিআরের আন্দোলন: ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯১৭ মিঠামইনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৩০ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৪
  • ১১২ বার পঠিত

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:

অনুকূল আবহাওয়া, নতুন জাত ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তায় ৭০ হাজার বিঘা জমিতে রেকর্ড উৎপাদন; মাঠে চলছে ধান কাটার মহোৎসব, ঘরে ঘরে নবান্নের আনন্দ।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে দেখা দিয়েছে এক অভূতপূর্ব ‘সুপার বাম্পার ফলন’। অনুকূল আবহাওয়া, কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং কৃষি বিভাগের নিবিড় তদারকির ফলে এ বছর সোনালী ধানের শীষে দুলে উঠেছে কৃষকের সারা বছরের প্রত্যাশা। নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে গ্রাম-বাংলার চারপাশ এখন উৎসবের আমেজে মুখরিত। কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা, মাড়াই ও গোলায় তোলার কাজে।

উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা মসুল আলম জানান, এ বছর উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল বিনা-৭ ও ১৭, ব্রি ধান-৩৯, ৪৯, ৭১, ৭৫, ৮৭, ৯৩, ১০৩ সহ স্থানীয় জাত মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার বিঘা জমিতে আমন চাষ হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং লবণাক্ততা সহনশীল স্বল্প জীবনকালীন জাতের ব্যবহার ফলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

কৃষকদের উৎসাহিত করতে কৃষি বিভাগ ৩৫টি প্রদর্শনী প্লট তৈরি করেছে এবং প্রায় ৫৫০ জন চাষিকে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ কৃষকদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে জানান কর্মকর্তা।

দক্ষিণ তাফালবাড়ী গ্রামের আদর্শ চাষি নীরব হালদার বলেন, “এ বছর প্রতি বিঘায় ৩৩ থেকে ৩৫ মন ধান হওয়ার আশা করছি। গত বছর দুই বিঘা জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান চাষ করে ৬৭ মন ফলন পেয়ে খুব ভালো লাভ হয়েছিল।”
উত্তর কদমতলা, ঝিলবুনিয়া, বকুলতলা, খোন্তাকাটা, সাউথখালী, ধানসাগর ও রায়েন্দা ইউনিয়নজুড়ে একই দৃশ্য—চোখ জুড়ানো সোনালি শস্যেরাশি। পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ধানকাটা গ্রুপের সর্দার মধু মিয়া জানান, “ফলন এবার অন্যসব বছরের তুলনায় অনেক ভালো।”

উপজেলা কৃষি অফিসার দেবব্রত সরকার বলেন, “কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সরকারি প্রণোদনা এবং সঠিক সময়ে সার ও কীটনাশক ব্যবহারের সুফলেই এ বছর আমনে রেকর্ড উৎপাদন হয়েছে।”
তার মতে, ‘সুপার বাম্পার ফলন’ শরণখোলার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

কৃষকের ঘরে ঘরে এখন নবান্নের প্রস্তুতি। মাঠে চলছে ধান কাটার আনন্দ উৎসব—একটি সফল মৌসুমের হাসি ছড়িয়ে পড়ছে শরণখোলার প্রতিটি গ্রামে।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat