×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৪
  • ৪০ বার পঠিত
মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:

নওগাঁর আত্রাইয়ে দিন দিন কমে যাচ্ছে বাঁশঝাড়। একসময় উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও জঙ্গলঘেরা এলাকায় প্রচুর বাঁশঝাড় দেখা গেলেও সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই কমে গেছে। ফলে গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা সবুজ পরিবেশ ও ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ বাঁশঝাড় এখন অনেকটা বিলুপ্তির পথে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আগের তুলনায় অনেক স্থানেই বাঁশঝাড়ের সংখ্যা কমেছে। কোথাও পুরোনো বাঁশঝাড়ের জায়গায় গড়ে উঠেছে বসতবাড়ি, আবার কোথাও কৃষিজমি সম্প্রসারণের কারণে বাঁশঝাড় উজাড় হয়েছে। অনেক বাঁশঝাড়ে নিয়মিত পরিচর্যা না থাকায় উৎপাদনও কমে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির পাশে বা জমির আইলে বাঁশঝাড় ছিল। ঘরবাড়ি নির্মাণ, বেড়া দেওয়া, মাচা তৈরি, ঝুড়ি-ডালা ও বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজে বাঁশের ব্যাপক ব্যবহার ছিল। বর্তমানে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ও প্লাস্টিকজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ায় বাঁশের ব্যবহার কিছুটা কমলেও গ্রামীণ জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা এখনো রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, জমির ব্যবহার পরিবর্তন, বসতবাড়ি সম্প্রসারণ, পুরোনো বাঁশঝাড়ের পরিচর্যার অভাব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বাঁশ কাটার কারণে অনেক এলাকায় বাঁশঝাড়ের পরিমাণ কমে গেছে। তবে আত্রাই উপজেলায় বাঁশঝাড় কমে যাওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সরকারি জরিপ বা পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় পরিবেশসচেতন ব্যক্তিরা মনে করছেন, বাঁশঝাড় শুধু গ্রামীণ অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে পতিত জমি, বাড়ির আঙিনা ও উপযুক্ত স্থানে নতুন করে বাঁশ রোপণ করা প্রয়োজন।

তাদের মতে, এখনই বাঁশঝাড় সংরক্ষণ ও নতুন করে বাঁশ রোপণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশঝাড় কেবল স্মৃতিতেই দেখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat