×
সদ্য প্রাপ্ত:
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১৫
  • ১২০ বার পঠিত
ময়মনসিংহ প্রতিনিদি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন ফয়সাল ও তার সহযোগী সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে গেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো শতভাগ নিশ্চিত নয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে সীমান্তে তাদের পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপ সেনাল নামের এক সন্দেহভাজন মানবপাচারকারীকে খুঁজছে যৌথ বাহিনী।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায় হামলার ঘটনার পরপরই রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সীমান্ত এলাকার সব স্পর্শকাতর পয়েন্ট, প্রবেশ ও বহির্গমন পথে বিজিবির টিম বসানো হয়। ময়মনসিংহ ও শেরপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলো থেকে বর্ডারের দিকে যাওয়ার রাস্তায় একাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।

তিনি বলেন, শুক্রবার সারারাত আমরা বর্ডার পাহারা দিয়ে রেখেছি। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিওপিগুলো থেকে অতিরিক্ত টহল দল বের করে সীমান্তের গ্যাপগুলো পূরণ করা হয়েছে। শনিবারও সারাদিন এই কার্যক্রম চলেছে এবং ময়মনসিংহ থেকে বাড়তি জনবল এনে নিরাপত্তা আরও কঠোর করা হয়েছে।

হামলাকারীরা ভারতের পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা কেউ শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে আক্রমণকারী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে নাকি পালায়নি। পুলিশও নিশ্চিত নয়, আমরাও নই। আমরা দুটি সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কাজ করছি। যদি পালিয়ে থাকে, তবে কে সাহায্য করল? আর না পালালে কোথায় আছে বা কার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে—তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আমরা ফিলিপকে ধরার জন্য আমরা সর্বাত্মক শক্তি আমরা নিয়োগ করেছি। আমরা গোয়েন্দা তৎপরতাও আমরা চালাচ্ছি। কারণ ফিলিপকে ধরা গেলে অনেক কিছুর তথ্য আমরা হয়তোবা বের করতে পারবো, যদি পাচার হয়ে থাকে। আর যদি না হয়ে থাকে, তাহলে ফিলিপের নামটা কেন বারবার আসছে সেটাও আমাদের জন্য জানাটা সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে ফিলিপ স্নালের স্ত্রী ডেলটা চিরান, শ্বশুর ইয়ারসন রংডি এবং মানবপাচারকারী লুইস লেংমিঞ্জাকে আটক করা হয়। পরে তাদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া বারোমারি এলাকা থেকে বেঞ্জামিন চিরাম নামে আরও একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat