×
সদ্য প্রাপ্ত:
জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী: রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা এনবিআরের আন্দোলন: ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯১৭ মিঠামইনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৩০ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-০৬
  • ১৯ বার পঠিত

প্রতারণার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিন আদেশ মঞ্জুর করেন।

এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি সংক্রান্ত প্রতারণা মামলায় গত ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম। অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে পুলিশ বিদিশাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হলে তার আইনজীবী আপিলের শর্তে জামিন চাইলেও তা নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

কারাগারে থাকা অবস্থায় দুই বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিদিশা আপিল দায়ের করেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির আপিল আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করলেও জামিন নাকচ করেন। শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেন তিনি।

মামলার প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালে রাজধানীর বারিধারার ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক’-এর একটি ফ্ল্যাট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামে এক ব্যবসায়ী।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা ব্যবসায়ী মোশাররফকে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখিয়ে ৮০ লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করেন। পরবর্তীতে ১০ জুলাই বিদিশার কথামতো তার প্রতিনিধি আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার পরিশোধ করেন ওই ব্যবসায়ী এবং উভয়ের মধ্যে বায়নানামা চুক্তি সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-এর অনুমোদন সাপেক্ষে বাকি টাকা পরিশোধ শেষে ২০০২ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও ফ্ল্যাট না পেয়ে চাপ দিলে ২০০৫ সালে বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেন, যা ব্যাংকে গিয়ে ডিজঅনার বা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরবর্তীতে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট হস্তান্তরে টালবাহানা করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এ আইনি পদক্ষেপ নেন ভুক্তভোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat