×
সদ্য প্রাপ্ত:
তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত সব পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা তাহসিফ সউরি হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি তুরাগে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়, ঘটনাস্থলের কাছেই মিলল মোটরসাইকেল মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলাঃ মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-০৬
  • ৪২ বার পঠিত

প্রতারণার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিন আদেশ মঞ্জুর করেন।

এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি সংক্রান্ত প্রতারণা মামলায় গত ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম। অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে পুলিশ বিদিশাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হলে তার আইনজীবী আপিলের শর্তে জামিন চাইলেও তা নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

কারাগারে থাকা অবস্থায় দুই বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিদিশা আপিল দায়ের করেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির আপিল আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করলেও জামিন নাকচ করেন। শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেন তিনি।

মামলার প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালে রাজধানীর বারিধারার ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক’-এর একটি ফ্ল্যাট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামে এক ব্যবসায়ী।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা ব্যবসায়ী মোশাররফকে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখিয়ে ৮০ লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করেন। পরবর্তীতে ১০ জুলাই বিদিশার কথামতো তার প্রতিনিধি আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার পরিশোধ করেন ওই ব্যবসায়ী এবং উভয়ের মধ্যে বায়নানামা চুক্তি সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-এর অনুমোদন সাপেক্ষে বাকি টাকা পরিশোধ শেষে ২০০২ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও ফ্ল্যাট না পেয়ে চাপ দিলে ২০০৫ সালে বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেন, যা ব্যাংকে গিয়ে ডিজঅনার বা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরবর্তীতে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট হস্তান্তরে টালবাহানা করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এ আইনি পদক্ষেপ নেন ভুক্তভোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat