মোঃ মিলন, বিশেষ প্রতিনিধি
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা এবং পরবর্তীতে বাবার চায়ের দোকানে ঢুকে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নারগিস আক্তার (২৭) নামের এক নারী মহেশখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নামঞ্জুর ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থার জন্য দায়ের করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী নারগিস আক্তার কুতুবজোম ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কামারপাড়া গ্রামের আবদুল জব্বারের কন্যা অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার বাসিন্দা নুরুল আলম (৩০), একরাম (৪৫), মো. নয়ন (২১) এবং বেবী আক্তার (৩৮)। তারা অভিযোগকারীর মামা, মামাতো ভাই এবং মামী বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত নুরুল আলমের সাথে একরামের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকায় অভিযুক্ত নুরুল আলম ও বেবী আক্তার, একরামকে তার বাড়ি থেকে বের করে দেয় নার্গিসের মামা একরাম থাকার জায়গা না পেয়ে নার্গিস দের বাড়িতে আসে খাবার খেয়ে বের হয়ে যায় একরাম কে কেন নার্গিসদের বাড়িতে খাবার দেওয়া হলো তারই সূত্র ধরে নুরুল আলম ও বেবী আক্তার নারগিস আক্তারের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা চালায়।
পরবর্তীতে আবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ০৬.৩০ ঘটিকায় অভিযুক্ত নুরুল আলম, মো. নয়ন এবং বেবী আক্তার লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে কুতুবজোম কামারপাড়া মোড়স্থ অভিযোগকারীর বাবা আবদুল জব্বারের চায়ের দোকানে বেআইনিভাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। তারা দোকান ভাঙচুর করে আনুমানিক ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন করে।
দোকানে হামলার প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুল জব্বারকে মারধরের চেষ্টা চালায়। তার শোর-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা হুমকি দিয়ে বলে যে, এই বিষয়ে কোনো মামলা বা মোকাদ্দমা করলে তারা ভবিষ্যতে মারপিট, খুন, জখম, দোকান জোরপূর্বক দখল করবে এবং পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাবে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারগিস আক্তার জানান, ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে আইনি সুরক্ষার লক্ষ্যে গত ০৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তিনি মহেশখালী থানায় জিডি ট্র্যাকিং নং- QZL8JB এবং জিডি নং- ২২৬মূলে একটি সাধারণ ডায়েরি নথিবদ্ধ করেন।
মহেশখালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে।