×
সদ্য প্রাপ্ত:
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১৪
  • ১৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক

শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে গ্রাম ও শহরের সব শিশুকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় আনার জোর তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। কোনো শিশু যেন টিকা নেওয়া থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কেবল কেন্দ্রেই সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিটি বাড়ি ও মহল্লায় গিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইল্যান্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ২০২৬ এর ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

কর্মশালায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "গ্রাম ও শহরের মধ্যে টিকাদানের যে বৈষম্য রয়েছে, তা দ্রুত দূর করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাদানের উপযোগী শিশুদের শনাক্ত করতে হবে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে দিয়ে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।"

টিকার গুণগত মান ও সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে মন্ত্রী নির্দেশ দেন, সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রয়োগ পর্যন্ত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসৃত হচ্ছে কিনা—তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ১৯৭৯ সাল থেকে দেশে চালু থাকা ইপিআই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করার জন্য তিনি গ্যাভি, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জানান।

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট ও ১ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে নগরবাসী—সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

তিনি জানান, এই সংস্কারের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক 'প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট' গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে অতি শীঘ্রই আরও এক লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. রাজেশ নরওয়েল ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat