×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১১-০৫
  • ১৯ বার পঠিত

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ আঁধারমানিক গ্রামের খালের ওপর প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি কালভার্ট স্থানীয় কৃষকদের কোনো কাজেই আসছে না। নির্মিত কালভার্টটির দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক বা চলাচলের পথ না থাকায় সাধারণ কৃষকরা এটি ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে যাতায়াত এবং উৎপাদিত ফসল আনা-নেওয়ার কাজে তাদের এখনো জমির সরু আইলের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। উপরন্তু কালভার্টটিতে ওঠার মতো বিকল্প কোনো পথও রাখা হয়নি।

জেলা পরিষদের নথি সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কালভার্টটি নির্মাণের জন্য মোট তিন লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ‘মেসার্স আয়ান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালভার্টের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। তবে প্রকল্প প্রণয়নের সময় কেবল মূল কালভার্ট নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ থাকলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক তৈরির বিষয়ে কোনো আলাদা বাজেট রাখা হয়নি। ফলে সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো কৃষকদের কতটুকু উপকারে আসছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় কৃষক জাফর হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা আঁধারমানিক খালের ওপর নিজেদের তৈরি কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কৃষিজমিতে যাতায়াত করে আসছিলেন। পরবর্তীতে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে খালের ওপর কালভার্ট তৈরি করা হলেও সেটিতে ওঠার মতো কোনো পথ না রাখায় তাদের সমস্যার নিরসন ঘটেনি। সংযোগ সড়ক না থাকায় মাঠ থেকে কষ্টার্জিত ফসল বাড়িতে পৌঁছে দিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খালের দু'পাশে চলাচলের মতো স্থায়ী পথ তৈরি করা হলে এলাকার অসংখ্য কৃষক প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হতেন।

অন্যদিকে আবদুল মোতালেব নামের অপর এক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, খালের ওপর নির্মিত কালভার্টটি থেকে প্রায় ১০ ফুট নিচে জমির সরু আইল অবস্থান করছে। বর্তমান অবস্থায় কোনো ধরনের সংযোগ সড়ক না থাকায় কালভার্টের ওপর উঠতে হলে মই ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই। ফলে কালভার্টটি দৃশ্যমান থাকলেও তা কৃষকদের বাস্তব ব্যবহারে কোনো কাজেই আসছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ জানান, তিন লাখ টাকার ওই সীমিত বাজেটের প্রকল্পে নতুন করে সড়ক নির্মাণের কোনো আইনি সুযোগ ছিল না। মূলত খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে পায়ে হেঁটে যাতায়াতের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যেই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল। এটি কোনো ভারী বা হালকা যানবাহন চলাচলের সড়ক নয়, তাই সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি মূল নকশা বা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, জেলা পরিষদ সাধারণত ছোট আকারের গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে এবং তাদের সরাসরি নতুন রাস্তা তৈরির সুযোগ নেই। এই কালভার্টটির ক্ষেত্রেও নতুন করে রাস্তা বা সংযোগ সড়ক নির্মাণের সুযোগ জেলা পরিষদের নেই। এমতাবস্থায় স্থানীয় সুবিধাভোগীরা চাইলে সরকারের অন্য কোনো সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আলাদা বরাদ্দ আনার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat