মো. সুজন মাহমুদ, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক ও গাইডওয়াল ধসে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ভারি বর্ষণের পরপরই সড়কটি ফাটল ধরে এবং গাইডওয়াল ধসে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান এম এ মতিনের বাড়ি সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত ৬৬ মিটার দীর্ঘ সেতু এবং ৩৫০ মিটার সংযোগ সড়কের ব্যয় ধরা হয়েছিল সাড়ে ৬ কোটি টাকা। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই সেতুটির সংযোগ সড়ক এবং গাইডওয়াল ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, পুরো গাইডওয়াল জুড়ে ফাটল দেখা যাচ্ছে, যা গাইডওয়ালের পিলারগুলোকেও নড়বড়ে করে তুলেছে। এতে সেতুটি ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ছে।
বাহাদুর ইসলাম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "কাজ শুরুর ৬-৭ মাস পর থেকেই সেতুর সংযোগ সড়ক এবং গাইডওয়াল ধসে পড়া শুরু করে। নিম্নমানের কাজের কারণেই এমনটা হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে সেতুটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।"
একজন ইজিবাইক চালক মো. সলেমান বলেন, "সেতুটি নির্মাণের এক বছরও পার হয়নি। এর মধ্যেই সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। এখন ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি পার হতে হয়। যদি দ্রুত মেরামত না করা হয়, বর্ষায় আরও ক্ষতি হবে এবং মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।"
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, "ইতোমধ্যে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কাজ দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারের জামানতও কাজ সম্পন্নের পরেই প্রদান করা হবে।"
ঠিকাদার মো. জামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, যত দ্রুত সম্ভব সেতুটির সংযোগ সড়ক এবং গাইডওয়াল সংস্কার করা হোক, যাতে দুর্ভোগ লাঘব হয়।