×
সদ্য প্রাপ্ত:
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-২০
  • ১৫৯ বার পঠিত

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার গাজা প্রতিনিধি হানি মাহমুদ জানিয়েছেন, গতকাল গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকার তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে, গাজার প্রধান শহর গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা শুজাইয়া এবং জয়তুনে যথাক্রমে একটি করে ভবনে আঘাত হেনেছে আইডিএফের বোমা। এতেই ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।

আলজাজিরাকে হানি মাহমুদ বলেন, “আইডিএফের বোমার আঘাতে একটি ভবনে এক পরিবারের বাবা, মা এবং তিন সন্তানসহ পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছে। গাজার ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন; কারণ গাজায় এখনও যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে এবং আইডিএফের নিত্যদিনের সহিংসতায় ফিলিস্তিনিরা নিহত হচ্ছেন।”এদিকে হামলার পর এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, বুধবার গাজার যেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে ইসরায়েলি বাহিনী, সেগুলোর সবই হামাসের লক্ষ্যবস্তু ছিল। কর্মকর্তারা আরও দাবি করেছেন, এই হামলায় যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হয়নি, বরং যুদ্ধবিরতির শর্তের আওতার মধ্যেই পরিচালিত হয়েছে হামলা।

আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গাজার খান ইউনিস এবং গাজা সিটিতে হামাসের সঙ্গে সংশ্লিস্ট মোট ৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন হামলা অব্যাহত থাকবে। ইসরায়েলের রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা যে কোনো কিছুকে ধ্বংসের জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”আইডিএফের এক কর্মকর্তা বলেছেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোর একটিতে উল্লেখ ছিল যে হামাসকে নিরস্ত্রিকরণ করতে হবে। এই শর্তের ভিত্তিতেই বুধবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তাই এতে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন ঘটেনি।”

তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করে এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, “আইডিএফ হামলাকে ন্যায্যতা প্রদানের জন্য খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে। এই হামলা স্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। আমরা মনে করি, যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহু ফের গাজায় গণহত্যা শুরু করে করতে চান এবং এ কারণেই তিনি উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন। এর ফলাফল বিপজ্জনক হতে পারে।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে সম্মতি জানানের পর ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়। আলজাজিরার বিশ্লেষণ বলছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৪০ দিনে গাজায় মোট ৩৯৩ বার যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat