×
সদ্য প্রাপ্ত:
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১০
  • ৩৫ বার পঠিত

পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক হাব হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ঐতিহ্যবাহী তৈরি পোশাকের পাশাপাশি উচ্চমূল্যের ও বহুমুখী পণ্য রফতানির ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল ডায়লগে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বর্তমান বাণিজ্য চিত্র ও ঘাটতির কারণ

হংকং বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ আমদানি উৎস হলেও রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেখানে এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি:

  • বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি: বাংলাদেশ বর্তমানে হংকং থেকে বিপুল পরিমাণে কাঁচামাল, প্রস্তুতকৃত টেক্সটাইল, ইলেকট্রনিক্স ও টেকনোলজি সামগ্রী আমদানি করে। এর বিপরীতে বাংলাদেশের রফতানি প্রধানত চামড়াজাত পণ্য এবং সীমিত পরিমাণ তৈরি পোশাক ও হিমায়িত খাদ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

  • বাজারের সুবিধা ও সুযোগ: হংকং মুক্ত বাজার অর্থনীতির শহর হওয়ায় সেখানে অধিকাংশ পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বিদ্যমান। তবে রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য না থাকায় বাংলাদেশ এই সুবিধার পূর্ণ সুযোগ নিতে পারছে না।

কৌশলগত সুপারিশ ও করণীয়

বাণিজ্য ঘাটতি দূর করে হংকংয়ের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করতে সেমিনারে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়:

  • বহুমুখী পণ্য রফতানি: তৈরি পোশাকের পাশাপাশি আইটি ও সফটওয়্যার সেবা, ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্য, চামড়াজাত বিলাসবহুল সামগ্রী এবং পাটজাত পণ্য হংকংয়ের বাজারে বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

  • গুণগত মান ও প্যাকেজিং: হংকং বিশ্বমানের ও অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বাজার হওয়ায় আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক প্যাকেজিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • যৌথ বিনিয়োগ ও বি২বি পার্টনারশিপ: হংকংভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে (ইজেড) যৌথ বিনিয়োগে (Joint Venture) উৎসাহিত করা এবং দুদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী চেম্বারগুলোর মধ্যে বি২বি (Business-to-Business) যোগাযোগ বৃদ্ধি করা আবশ্যক।

অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, সঠিক বিপণন কৌশল ও রফতানি ঝুড়ি বিস্তৃত করার মাধ্যমে হংকংয়ের মাধ্যমে মূল চীনের বিশাল বাজার ও আঞ্চলিক সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশ আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat