সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পর উদ্ভূত আঞ্চলিক তীব্র উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইরানের সঙ্গে নিজেদের সীমান্ত ক্রসিংগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক সরকার।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাগদাদের পক্ষ থেকে এই জরুরি সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর দুই দেশের মধ্যবর্তী স্পর্শকাতর সীমান্ত সীমান্তগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সামরিক অস্থিরতা যেন ইরাকের ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে লক্ষ্যে বাগদাদ সরকার এই আগাম ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইরান সীমান্তসংলগ্ন বাণিজ্যিক ও সাধারণ যাত্রী চলাচলের প্রধান ক্রসিংগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সামরিক হুমকি মোকাবিলায় ইরাকি সীমান্ত রক্ষা বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় (High Alert) রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সৌদিতে সাম্প্রতিক বিমান ও ড্রোন হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন, রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা নতুন চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এবং নিজের দেশের অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরাক প্রশাসন সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।
ইরাক সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় সীমান্ত চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে।