দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং শিল্প-কারখানায় গ্যাসের সংকট দূর করতে ২০২৮ সালের নির্ধারিত সময়ের আগেই আরও একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (FSRU) চালুর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. মাহদী আমিন।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রোডম্যাপ নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।
ড. মাহদী আমিন তাঁর বক্তব্যে জানান, বর্তমানে পরিচালিত দুটি এফএসআরইউ দেশের গ্যাস চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ খাতে।
চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা থাকলেও, অর্থনৈতিক গতিশীলতা বজায় রাখতে দ্রুততম সময়ে কাজ শেষ করে এর আগেই সংযোগ সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন ভাসমান টার্মিনালটি চালু হলে দৈনিক অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) পুনর্নবীকরণ ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা স্পট মার্কেট নির্ভরতা এবং সামুদ্রিক সরবরাহের ঘাটতি কমাবে।
নতুন টার্মিনাল সচল হলে তৈরি পোশাক, সার কারখানা এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘমেয়াদী গ্যাসের প্রেসার বা চাপজনিত সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসন করা সম্ভব হবে।
| বিষয় / সূচক | বিদ্যমান স্থিতি ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য |
| বর্তমান কার্যক্ষম টার্মিনাল | ২টি (মহেশখালী, কক্সবাজার) |
| প্রস্তাবিত নতুন লক্ষ্যমাত্রা | ২০২৮ সালের আগেই তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল চালু |
| প্রধান সুবিধা | জাতীয় গ্রিডে দৈনিক এলএনজি পুনর্নবীকরণ সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি |
| মূল সুবিধাভোগী | রপ্তানিমুখী পোশাক খাত, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্পাঞ্চল |
মতবিনিময় সভায় ড. মাহদী আমিন আরও বলেন, দ্রুততম সময়ে অবকাঠামোগত কাজ শেষ করতে বিশ্বমানের কারিগরি সহযোগিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রক্রিয়ার সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হবে এই প্রকল্পের প্রধান কৌশল।