×
সদ্য প্রাপ্ত:
সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৫
  • ৩০ বার পঠিত


 ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জনাকীর্ণ আদালতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গতকাল সোমবার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল এবং গত ১৮ আগস্ট যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তালিকা

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রায় কার্যকর করতে তাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

  • ওবায়দুল কাদের — সাবেক সেতু মন্ত্রী ও সাধারণ সম্পাদক, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

  • মোহাম্মদ আলী আরাফাত — সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।

  • আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

  • শেখ ফজলে শামস পরশ — সভাপতি, যুবলীগ।

  • মাইনুল হোসেন খান নিখিল — সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগ।

  • সাদ্দাম হোসেন — সভাপতি, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।

  • শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান — সাধারণ সম্পাদক, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক ও অভিযোগের প্রমাণ

মামলার কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন) আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আবেদন জানিয়েছিল। বিচারিক প্যানেল প্রমাণের ভিত্তিতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ ও রায়ে উল্লেখ করেন:

  • হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা: গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন সরকার ও দলীয় নীতিনির্ধারকদের রাষ্ট্রীয় বৈঠকে সরাসরি বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ ও হত্যার ছক আঁকা হয়েছিল।

  • 'দেখামাত্র গুলি'র নির্দেশনা: আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে দেখামাত্র গুলির যে অসংবেদনশীল নির্দেশ দিয়েছিলেন, তার সরাসরি প্রমাণ মেলে অডিও-ভিডিও সিডি ও ডিজিটাল সাক্ষ্যে।

  • নির্বিচার গণহত্যা: এসব নির্দেশের প্রত্যক্ষ পরিণতিতে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সহযোগী সংগঠনগুলো ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে শত শত নিরীহ শিক্ষার্থী ও জনতাকে হত্যা করে।

আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিক্রিয়া

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানান, এই রায়ের মাধ্যমে জুলাইয়ের আন্দোলনকারী ও নিহত শহীদ পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হলো। পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat