মাদকের মূল হোতারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত যেন কোনোভাবেই না কাঁপে সে বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ও দ্ব্যর্থহীন নির্দেশ প্রদান করেছেন আইনমন্ত্রী।
যা মূলত দেশের যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং মাদক চোরাচালানের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি তথা অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার অদম্য অঙ্গীকারেরই এক সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এবং এই নির্দেশনার মাধ্যমে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপের তোয়াক্কা না করে স্বাধীনভাবে অভিযান পরিচালনা করার পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া এই মরনঘাতী মাদকের বিস্তার চিরতরে রোধ করা সম্ভব হয়।
যা মূলত দেশের তরুণ সমাজকে রক্ষা করা এবং অপরাধমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও সাহসী একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এবং এই নীতি বাস্তবায়নের ফলে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের চিহ্নিত মাদক কারবারিরা দ্রুত আইনের আওতায় আসবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল ও আইনি বিশ্লেষকবৃন্দ।