মোঃ মিলন, বিশেষ প্রতিনিধি
কক্সবাজারের মহেশখালী থানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, নগদ টাকা ও মালামাল লুটপাট এবং মারধরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের কামিতার পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়, কুতুবজোম কামিতার পাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের মেয়ে নার্গিস আক্তার (২৬) বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— ১. নুরুল আলম (৩০), পিতা: মৃত আলী আকবর; ২. রুপা আক্তার (২১), পিতা: মো. একরাম; ৩. মাহিন আক্তার (১৯), পিতা: মো. একরাম এবং ৪. বেনি আক্তার (৩৮), স্বামী: মো. একরাম। তারা সকলেই মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম কামিতার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পারিবারিক ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিবাদীরা বাদী ও তাঁর পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:০০ ঘটিকার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে কুতুবজোম কামিতার পাড়া পাড়াস্থ আব্দুল জব্বারের চা দোকানে হামলা চালায়। বিবাদীরা বেআইনিভাবে দোকানে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর ও তছনছ করে এবং আনুমানিক ৩০,০০০ হাজার) টাকার মালামাল ও আর্থিক ক্ষতি সাধন করে।
দোকানে হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও বাধা প্রদান করতে গেলে আব্দুল জব্বারকে (অভিযোগকারীর পিতা) এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ক্ষান্ত হয়। চলে যাওয়ার সময় বিবাদীরা ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি বা মামলা-মোকদ্দমা করলে প্রাণে মেরে ফেলাসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি প্রদান করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বিবাদীদের অব্যাহত হুমকি ও হামলায় তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে মহেশখালী থানায় লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক মোবাইল টিম পাঠিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..