×
সদ্য প্রাপ্ত:
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৭
  • ১৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফঃ

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে বিনামূল্যে সুন্নতে খতনা করানোর দুই দিনের মাথায় অন্তত ৫০ শিশুর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে. এর মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য টেকনাফে রেফার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো দ্বীপজুড়ে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আয়োজনের বিবরণ: গত ৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন অবকাশ রিসোর্টে ‘আল মোমিন সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে একটি বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও সুন্নতে খতনা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ওই দিন ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী মোট ২১০ জন শিশুর খতনা সম্পন্ন করে এবং পরবর্তীতে তাদের কিছু ওষুধপত্র দেয়।

হাসপাতালে রোগীর ভিড় ও বর্তমান পরিস্থিতি: সেন্টমার্টিন হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খতনা করানো প্রায় ৫০ জন শিশু ক্ষতস্থানে ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসে।

আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে মো. ফয়সাল ও আইনুল ইসলাম নামের দুই শিশুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনুলের বাবা কবির আহমেদ জানান, ট্রলার না পাওয়ার কারণে মুমূর্ষু শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য: ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, খতনা করানোর সময় চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে না মানার কারণে এই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্বীপের অধিকাংশ পরিবার অসচ্ছল হওয়ায় শিশুদের বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসা করানো তাদের জন্য দুরূহ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও বাসিন্দারা।

সেন্টমার্টিন হাসপাতালের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. শহীদুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত শিশুদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং আশঙ্কাজনক দু'জনকে টেকনাফে রেফার করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এনামুল হক বলেন, দ্বীপটিতে এ ধরনের কোনো মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার বিষয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকে আগে থেকে জানানো হয়নি। এছাড়া অভিযুক্ত মেডিকেল টিমের প্রধান চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং মেডিকেল টিমের কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat