×
সদ্য প্রাপ্ত:
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৬২ কোটি ঘনফুট ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের গতিবিধি এবং বহিরাগতদের ওপর নজরদারি করতে চালু হচ্ছে এআই ক্যামেরা ভারতসহ ১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের চার্জশিট দাখিল সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না: রাশেদ খাঁন ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-৩০
  • ১৯৩ বার পঠিত
পরিতোষ বড়ুয়া, চট্টগ্রাম  
তিন বছরের ছোট্ট শিশু তাসকিয়া। এখনও পুরোপুরি বোঝার বয়স হয়নি যে "বাবা" শব্দের গভীরতা কতটা। হাঁটতে শিখেছে মাত্র কয়েক মাস হলো। দুনিয়ার অনেক কিছুই তার কাছে অজানা। তবে তার নিষ্পাপ চোখে বাবার জন্য এক অন্যরকম তৃষ্ণা। সারাদিন ধরে সে খুঁজে বেড়ায় প্রিয় বাবার মুখ।

তাসকিয়া অপেক্ষা করে, বাবার হাতে আইসক্রিম, খেলনা কিংবা বেলুন দেখবে বলে। কিন্তু পরিবারের বাকিরা জানে, তার বাবা আর কোনোদিন ফিরবে না। তবুও তাসকিয়া প্রতিদিনই একই প্রশ্ন করে, "বাবা কই? বাবা কবে আসবে বাড়ি?" যখন তাকে শান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তখন সে মোবাইলে বাবার ছবি দেখিয়ে বলে, "বাবা শহরে গেছে। আসার সময় আমার জন্য আইসক্রিম আর খেলনা নিয়ে আসবে।"

শুক্রবার এসে গেলেও বাবা কেনো বাসায় ফিরলেন না, তা বোঝার মতো বয়স হয়নি তাসকিয়ার। তবুও তার মায়াভরা চোখে ফুটে ওঠে উদ্বেগ। কিন্তু শিশুটি জানে না, তার বাবা আর কোনোদিন ফিরবেন না। বাবার মমতা আর ভালোবাসা তাকে আর ছুঁয়ে যাবে না।

নৃশংসভাবে প্রাণ হারানো এক তরুণ আইনজীবী

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন সাইফুল ইসলাম আলিফ। আইনজীবী হিসেবে কাজ করা সাইফুল ছিলেন পরিবারের সাত ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয়। তার বাবা জামাল উদ্দিন বললেন, “আলিফ ভাই-বোনদের মধ্যে আলাদা ছিল। সবসময় মানুষের উপকারের চিন্তা করতো। এখন আমাদের কাছে আর কখনোই ফিরবে না সে। আমার ছেলেকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

সাইফুলের সহকর্মীরা জানান, ২০১৮ সাল থেকে তিনি চট্টগ্রামে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন। চট্টগ্রাম বারের একজন নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। পাঁচ-ছয় বছর ধরে তিনি পেশায় ছিলেন এবং গত বছর হাইকোর্ট বারের সনদ লাভ করেন।

শোকের ছায়ায় পরিবার

এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পর পুরো পরিবার এবং সহকর্মীরা ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছে। কিন্তু ছোট্ট তাসকিয়ার দুনিয়ায় এখনো বাবার শূন্যতার মানে পৌঁছায়নি। বাবার প্রতীক্ষায় সে এখনও বসে থাকে—তার খেলনা, বেলুন আর আইসক্রিম নিয়ে ফেরার অপেক্ষায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat