×
সদ্য প্রাপ্ত:
মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৭
  • ২১ বার পঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

সড়কটির পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ময়লা-আবর্জনা। কোথাও তা উপচে আসছে সড়কে। বেশির ভাগ নদীর তীরজুড়ে ফেলে রাখা। যারা যাতায়াত করছেন, তাদের কারও নাকে হাত, কেউবা মুখের সামনে কাপড় চাপ দিয়ে ধরছেন। সম্প্রতি ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার সামনের সড়কের প্রায় ১০০ গজ অংশে এমন চিত্র দেখা যায়।

মহেশপুর পৌরসভার সামনে দিয়ে যাওয়া এই সড়ক দিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ মহেশপুর শহর ও ঝিনাইদহ জেলা শহরের দিকে যাতায়াত করেন। এই সড়কের পাশের দীর্ঘদিন ধরে জমানো ময়লার স্তূপের দুর্গন্ধে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।

অদূরে মাছ নিয়ে বসা ব্যবসায়ীরাও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ১৮৬৯ সালে গঠিত হওয়া মহেশপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পায় ২০০৪ সালে। তবে এলাকাবাসী বলছেন, দীর্ঘদিনেও পৌরবাসীর ময়লা ফেলার জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

কোনো প্রকার রেজুলেশন না করে প্রায় ৪ বছর আগে থেকে পৌরসভার সামনে মৎস্য আড়তের পাশে কপোতাক্ষ নদের পাশে বাসাবাড়ির বর্জ্যসহ নানা আবর্জনা ফেলতে শুরু করেন পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। দিনের পর দিন এভাবে ফেলা ময়লা জমে বিশাল স্তূপ সৃষ্টি হয়েছে। এসব মিশছে নদের পানিতে। ফলে তীব্র গন্ধে বাতাস যেমন দূষিত হচ্ছে, তেমনি দূষণ ছড়াচ্ছে নদের পানিতেও।

উপজেলার জলিলপুরের বাসিন্দা আলী হোসেন সম্প্রতি হেঁটে যাচ্ছিলেন এই পথ দিয়ে। তিনি বলেন, দুর্গন্ধের সমস্যাটা সবারই। রাস্তার ধারে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে, শিশুদের নিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এর একটা সমাধান জরুরি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যদি একটি নির্দিষ্ট জায়গা করে সেখানে ময়লা ফেলতো তাহলে খুব ভালো হতো। সুরুজ্জামান সুরুজ নামের আরেক পথচারী জানালেন, কয়েক বছর ধরে এই জায়গায় অবাধে ময়লা ফেলা হচ্ছে। তীব্র দুর্গন্ধের কারণে পথ দিয়ে চলাচল করা যায় না। ময়লার কারণে পরিবেশ ও নদীর পানিও দূষিত হচ্ছে। এর সমাধান জরুরি। না হলে ক্ষোভে মানুষ বিক্ষোভ-প্রতিবাদে নামতে পারেন জানিয়ে বলেন, তখন জিনিসটা আরও খারাপের দিকে যাবে।

আড়তের মাছ বিক্রেতা বিকাশ কুমার হালদারের ভাষ্য, ‘মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার স্তূপ। এতে আমাদের সমস্যা হয়। বসে থেকে মাছ বিক্রি করা যায় না।’ পৌরসভার বাসিন্দাদের সব ধরনের ময়লা এখানে ফেলে জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত বিষয়টির সমাধান করা জরুরি। মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানা বলেন, কোনো প্রকার রেজুলেশন ছাড়া বিগত আওয়ামী লীগের সময় তৎকালীন পৌর মেয়র কপোতাক্ষ নদের পার দখল করে এই ভাগাড় গড়ে তোলেন। এটি তাদের নির্ধারিত কোনো জায়গা নয় বলেও জানান। মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে একটি উদ্যোগ নিয়েছি। উপজেলার হুদো শ্রীরামপুর মৌজায় লোকালয় থেকে দূরে স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনে ময়লা ফেলা হবে। এ বিষয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat