×
সদ্য প্রাপ্ত:
চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৮
  • ১৫৯ বার পঠিত
রেজাউল করিম, শেরপুর প্রতিনিধি

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শেরপুরের নকলা উপজেলা হানাদারমুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এই উপজেলাটি বিনা রক্তপাতেই স্বাধীন করেন।

সূত্র মতে, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ব্রহ্মপুত্রের উত্তর তীরে অবস্থিত আহম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাকবাহিনীর হেডকোয়ার্টার স্থাপন করা হয়। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন মেজর রিয়াজ। হানাদাররা নকলায় অগ্নিসংযোগ করে হাজারো মানুষকে গৃহহীন করেন এবং শতাধিক মুক্তিকামী যুবককে হত্যা করেন। এ যুদ্ধে ১৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে টু-আইসি আব্দুর রশিদ, সিকিউরিটি কর্মকর্তা একলিম শাহসহ প্রায় তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা অভিযানে অংশ নেন। পাকবাহিনী পিছু হটে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা ১৩০ জন স্থানীয় দোসরকে আটক করেন। পরদিন ১১০টি অস্ত্রসহ ১১৭ জন রাজাকার ও আল–বদর সদস্য কোম্পানি কমান্ডারের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর সকালে নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু তাহের, কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হক চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন, ইপিআর ওয়্যারলেস অপারেটর ফরহাদ হোসেন, নকলা–নালিতাবাড়ী–শেরপুর অঞ্চলের প্লাটুন কমান্ডাররা, কোয়ার্টার মাস্টার জুলহাস উদ্দিন ফকির, গোয়েন্দা বিভাগের মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেমসহ হাজারো মুক্তিকামী মানুষ।

এভাবেই রক্তপাত ছাড়াই নকলা পুরোপুরিভাবে হানাদারমুক্ত হয়।
২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা, আলোচনা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat