গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেলেই কোনো ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা যাবে না; তার আগে পরোয়ানাটির সত্যতা ও সঠিকতা যাচাই করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাল বা ভুয়া পরোয়ানা দেখিয়ে হয়রানি বন্ধে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় আজ এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনামূলক সিদ্ধান্ত এসেছে।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট আদালত ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করে। পরোয়ানা কার্যকরের পূর্বে সেটি আদালতের আসল আদেশ কি না, তা ডিজিটাল ডাটাবেজ অথবা সংশ্লিষ্ট আদালতের দাপ্তরিক রেকর্ড থেকে ক্রস-চেক করতে হবে।
ভুয়া পরোয়ানা ব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার বা অর্থ আদায়ের মতো অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধ করতে প্রতিটি থানায় বিশেষ সতর্কতামূলক নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
পরোয়ানা যাচাই-বাছাই না করে ভুলবশত কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী বা গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচার ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা পরোয়ানা সংক্রান্ত ভুয়া মামলা ও পুলিশি হয়রানি বন্ধে এই নির্দেশনা একটি মাইলফলক। এর ফলে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।