×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৮
  • ৭০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবা নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নিয়ে তার অজান্তেই বিয়ের ভুয়া কাবিননামা তৈরির মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারী চরম সামাজিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

৪৩ বছর বয়সী ওই নারী দাবি করেছেন, তিনি কাউকে বিয়ে করেননি, কোনো কাজির সামনে যাননি এবং কখনো এই ধরনের কোনো বিয়েতে সম্মতিও প্রদান করেননি।

ঘটনার বিবরণ ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য

ভুক্তভোগী নারী জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর গত প্রায় ১৩ বছর ধরে তিনি অত্যন্ত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একাই সংসার চালিয়ে আসছেন। মানুষের জমিতে কাজ করে তিনি তার দুই ছেলেকে বড় করেছেন এবং তাদের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তার ঘরে নাতি-নাতনিও রয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নিজ বাড়িতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি কোথাও বিয়ে করতে যাইনি। কোনো কাজিকেও দেখিনি। ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাগজপত্র নেওয়া হয়েছিল। পরে আমাকে একটি কাগজে টিপসই দিতে বলা হয়। আমি জানতাম না, ওই টিপসই দিয়ে এত বড় সর্বনাশ করা হবে।”

অভিযুক্ত ও সালিশ বৈঠক

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জামায়াতের সহযোগী সদস্য আবদুস ছাত্তার ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে ওই নারীর কাছ থেকে টিপসই নেন। পরবর্তীতে সেই টিপসই অপব্যবহার করে একটি জাল কাবিননামা তৈরি করা হয় এবং এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে ওই নারীর বিয়ে হয়ে গেছে। এমনকি তাকে একটি কাবিননামাও প্রদর্শন করা হয়।

তৈরি হওয়া ওই ভুয়া কাবিননামায় বর হিসেবে আবদুল কুদ্দুস নামের এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আবদুল কুদ্দুস এর আগেও ওই নারীকে একাধিকবার বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু ওই নারী প্রতিবারই তার সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে এ পর্যন্ত দুই দফা সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে অত্যন্ত লক্ষণীয় বিষয় হলো, উভয় সালিশ বৈঠকে প্রধান অভিযুক্ত আবদুস ছাত্তার কিংবা কাবিননামায় বর হিসেবে উল্লেখিত আবদুল কুদ্দুস—কেউই উপস্থিত হননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat