×
সদ্য প্রাপ্ত:
চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০২-০৫
  • ১৮৬ বার পঠিত
মনিরুজ্জামান রাসেল ,স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর :

শেরপুরের ব্রক্ষপুত্রের বালু নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নানা আলোচনার মধ্যে প্রশ্ন ওঠেছে নদীর পারে জমা করা বালুগুলো কার? এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিআইডাব্লিওটিএ ব্রক্ষপুত্র নদীর খনন কাজের উত্তোলিত বালুগুলো নদীর পারে ব্যক্তিমালিকানা জমিতে ও খাস জমিতে রাখা হয়েছে যার বর্তমান মালিক জেলা প্রশাসক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রক্ষপুত্র সেতুর পাশের জমানো বালুগুলো ব্রক্ষপুত্র নদী থেকে উত্তোলিত বালু। সেখানে কয়েকজন জমির মালিকের কাছে অনুমতি নিয়ে তাদের জমিতে খাস জমিতে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জমির মালিক ইয়ানুস মিয়া, খোকা মিয়া, হাসান মিয়া ও শাহীন মিয়া বলেন, আমাদের জমিতে ড্রেইজিং এর বালু রাখছে। শুনছি এই বালু ডিসি অফিস থেকে নিলাম করা হবে। এই বালু আমাদের নয়। আমাদের নিচু জমি বালি দিয়ে উঁচু হয়েছে এটাই আমাদের লাভ। পরে দোকানপাট তৈরি করে ব্যবসা করতে পারবো।

এ ব্যাপারে বিআইডাব্লিওটিএ সহকারী প্রকৌশলী মো. সাব্বির সাংবাদিকদের বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আমরা নদীর পাড়ে প্রয়োজনীয় খাস জমি না পেয়ে সেখানকার জমির মালিকদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বালু রেখেছি। আমরা পরিমাপ করে জেলা প্রশাসক অফিসকে জানিয়েও দিয়েছি। বাকি কাজ শেরপুর জেলা প্রশাসনের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat