উৎসবের প্রথম অধিবেশনে সকালে পাবলিক ক্লাব মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে একই স্থানে গিয়ে এক উদ্বোধনী সভার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন ঠাকুরগাঁওয়ের উপ-পরিচালক মনসুর আলী ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম।
উৎসবের দ্বিতীয় অধিবেশনে ফাতেমা “গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে যুব অংশগ্রহণ এবং করণীয়” শীর্ষক মূল আলোচনাপত্র পাঠ করেন। এরপর "দক্ষ যুব গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ" শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুবদের ভূমিকা অপরিসীম। ছেলে-মেয়ে বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার নিশ্চিত করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা সম্ভব। এ জন্য প্রত্যেক নাগরিককে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
দিনব্যাপী উৎসবে ৮টি স্টল প্রদর্শিত হয়, যেখানে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গণতন্ত্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। স্টলগুলোতে ভোটার সচেতনতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং রাজনীতিতে যুব নেতৃত্বের গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য প্রদর্শন করা হয়।
উৎসবটি জেলার যুবসমাজ ও নাগরিকদের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করেছে বলে আয়োজকরা মনে করেন।