×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০২-২০
  • ১০১ বার পঠিত
নাদিমুল আল তানভীর  (কুমিল্লা উত্তর ) প্রতিনিধিঃ


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার হাটাশ গ্রামের এক ব্যক্তি, যিনি মূলত আবুল কাশেম নামে পরিচিত, তিনি প্রতারণার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী শামিরা জান্নাত নামে এক নারী জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন যে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও আবুল কাশেম নাম পরিবর্তন করে "আবুল কালাম আজাদ" নামে ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হন (গেজেট পৃষ্ঠা নং- ২৮৯, মুক্তিযোদ্ধা নং- ০১১৯০০১১২৩২)।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৯৬৬-৬৭ শিক্ষাবর্ষে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় "আবুল কাশেম" নামে অংশ নেন। জমির দলিল, নামজারি ও খতিয়ানসহ সরকারি নথিতেও তার নাম "আবুল কাশেম" হিসেবেই লিপিবদ্ধ রয়েছে। তাছাড়া, এলাকাবাসীও তাকে "আবুল কাশেম" নামেই চেনেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মেয়ে সুলতানা বেগম ফারজানা আক্তারকে মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহানের সনদ ব্যবহার করে রেলওয়েতে চাকরি পাইয়ে দেন। সুলতানা বেগম বর্তমানে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী রেল স্টেশনে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৯৯৬ সালে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর কথা বলে ৩২ জনকে নিয়ে গিয়ে একটি জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে তারা সিঙ্গাপুরে গিয়ে আটক হন এবং সেখান থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম পর্যায়ের দুর্ব্যবহার করেন এবং এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুর রহমান বলেন, "জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এলাকাবাসীর দাবি, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat