খন্দকার মোহাম্মদ আলী সিরাজগঞ্জ :
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে জামায়াত ও আওয়ামীলীগের ৭ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ কাজীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম বলেন, বিষয়টি আর্থিক লেনদেন নিয়ে। এটি দেওয়ানি আদালতের বিষয়। তার পরও বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তারা হলেন, কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সোনামুখী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন হোসেন, আওয়ামীলীগকর্মী হরিনাথপুর গ্রামের দুলাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, বদিউর ওরফে বুদা ও মো. শুভ।
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের বিরোধ চলে আসছিলো। আব্দুর রশিদের সোনামুখী ইউনিয়নের হরিনাথপুর বাজারে "সাথী ট্রেডার্স" নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। উপরোক্ত অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের কাছে কখনও ৫ লক্ষ আবার কখনও ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে অভিযুক্তরা (বিবাদীরা) রাগান্বিত হয়ে যায়। বিভিন্ন সময় পথে ঘাটে হুমকি দেয়।
এরই জেরে গত ২৮ অক্টোবর সকালে বিবাদীরা বাঁশের লাঠি, লোহার রড, কাঠের বাটাম, নিয়ে হরিনাথপুর বাজারে আব্দুর রশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে গালিগালাজ করে। তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদাদাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম দোকানের ক্যাশ বাক্সে থেকে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এর পর আওয়ামীলীগ নেতা রিপন হোসেন সহ অন্য বিবাদীরা দোকান ঘরে রক্ষিত সিমেন্টে, টিউবয়েল, পাইপ-ফিটিংস সহ দামী সেনেটারী মালামাল ট্রাকে উঠিয়ে নেয়। এবং ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বিবাদীরা আব্দুর রশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোর পূর্বক তালা মেরে দিয়ে ট্রাকে রাখা দোকানের মালামাল নিয়ে চলে যায়।
এবিষয়ে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আর্থিক লেনদেন নিয়ে সমস্য ছিলো। আমরা দোকার ঘর তালা দিয়েছিলাম। পরের দিন পুলিশ এসে তালা খুলে দিয়েছে। তবে চাঁদাদাবীর অভিযোগ সত্য নায়।
এ জাতীয় আরো খবর..