×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-৩০
  • ২০২ বার পঠিত
খন্দকার মোহাম্মাদ আলী, 
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: 

গণতন্ত্রের দুয়ারে প্রবেশের অধিকার গণমানুষের প্রত্যাশা। কিন্তু বারবার বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় কোনো ফলপ্রসূ সিদ্ধান্তই সুফল আনে না। ১৮ কোটি মানুষের জীবন–জীবিকার পথচলায় বিশ্রাম নেই; শান্তির গণতন্ত্রের ঘরে প্রবেশ করে আছে হিংস্র প্রাণীর মতো কিছু ঘাতক নেতারা, যা  তাদের হিংস্রতার থাবায় কেড়ে নিচ্ছে লাখ লাখ মানুষের মৌলিক অধিকার। জীবনকে বিপন্ন করে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম গড়ে তুলছে, আর সেই প্লাটফর্মেও রয়েছে প্রকৃত গণতন্ত্রের মুখোশে ব্যক্তিতন্ত্রের মতাদর্শধারী বাহকেরা।

তাদের অনৈতিক চিন্তাধারায় প্রলুব্ধ কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষের সমন্বয়ে পেশিশক্তির সাংগঠনিক কাঠামো আরও মজবুত হয়। সুযোগ বুঝে বিভ্রান্তির ফাঁদে ফেলে লাখো মানুষের স্রোত ব্যবহার করে নিজেদের পাপ–পঙ্কিলতার দূষিত আবর্জনা ধুয়ে ফেলতে মরিয়া হয়ে ওঠে—যেমন বর্ষার প্রবাহে জমে থাকা সব ময়লা ধুয়ে যায় ঠিক তেমনই। এসব সুবিধাবাদী রাজনৈতিক সংগঠনের অরাজনৈতিক নেতারা তাদের জীবনের পঙ্কিলতা মোছার কৌশল হিসেবেই অবস্থান নেয় রাজনৈতিক নামের এই প্লাটফর্মগুলোতে।

মূলত গণতন্ত্রের প্রতি এদের আদর্শের কোনো বাস্তবতা নেই। জনগণের প্রতি নেই সেবামূলক মেহমানদারি। আছে শুধু আঘাত আর হিংসায় ভরা ধ্বংসের রক্তে গড়া  ইতিহাসে গনপ্রজাতন্ত্রী ভূখন্ডের ডকুমেন্টরি। 

এ প্রজন্মের আয়ুষ্কালের সদৃশ্য বাস্তবতা দেখে মানুষ উপলব্ধি করছে। বহু রাজনৈতিক নেতার উত্থান–পতন দেখেছে, দেখেছে গণতন্ত্রের ধারা। কিন্তু জ্ঞানের পরিসীমায় খুঁজে পায়নি পরিপূর্ণ গণতন্ত্রের ধারক–বাহকদের সৃজন করা সভ্যতা।

এ বিষয়ে উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের নিরপেক্ষ কিছু স্বেচ্ছাসেবীর তথ্য অনুসন্ধানে উঠে আসে গণতন্ত্রের চর্চার মাধ্যমে সুফল পাওয়া কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা। এর মাঝেই বর্তমান রাজনৈতিক পটভূমিতে পরিলক্ষিত হয়—শুধু একে–অপরকে আঘাত করা, হিংসার বাণী ছড়ানো, ধ্বংসের স্তুপে দাঁড়িয়ে আরেকটি ধ্বংসের হুমকি দেওয়াই যেন নিয়ম। গণমানুষের ক্ষুধা নিবারণে নেই কোনো প্রয়াস; নেই শান্তির মেহমানদারি। গণতন্ত্রের ঘরে নেই কোনো বিবেক প্রশান্তির  আসবাব। পিপাসার্ত মানুষকে এক গ্লাস জল দেওয়ার মতো পাত্রও নেই। আছে শুধু বারুদের গন্ধ আর রক্তের নির্মমতায় গড়া অধিকারবঞ্চিত সভ্যতার লাশভূমি।

তারা ধ্বংস করেও ক্ষান্ত নয়। বিভ্রান্ত গণতন্ত্রে অবুঝ জনতা দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকে অভুক্ত। নেতারা লুটে–পুটে খায়; ভাজা মাছের মতো গণতন্ত্রের মাথা মুণ্ড।এসব বাস্তবতা শুধু স্বদৃশ্যায়ণ অনুভূতি নয়—এটাই সত্য। আবার কি জনম ফিরে দেখবে জনতা? তবে কেন অপেক্ষা? দেশের গনতন্ত্রের দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের প্রত্যাশা 

এবার গণতন্ত্রের ঘড় পরিশুদ্ধ করুক. হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি, হত্যা, গুম, খুন, নাশকতা ও ধ্বংসের সব পথ বন্ধ করে শিখাবে তারা নেতাদের সভ্যতা। গণতন্ত্রের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে সৈনিক বেশে ১৮ কোটি জনতা। তাদের হাতে লাখো শহিদের রক্তে গড়া লাল–সবুজের পতাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat