×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৬
  • ১১৩ বার পঠিত

রেজাউল করিম, শেরপুর প্রতিনিধি:

সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ি জেলা শেরপুরে শীতের শুরুতেই বেশ শীত অনুভূত হতে শুরু করেছে। শীতের আগমনীতে শহরের লেপ–তোষকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। ধুনকররাও লেপ–তোষক বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর উপকরণের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে কারিগরদের মজুরিও। ফলে বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বিক্রেতা ও কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,
৫–৭ ফিট সাইজের জাজিম তৈরিতে মজুরি ৩০০–৩৫০ টাকা,
৬–৭ ফিট জাজিম ৪০০–৪৫০ টাকা,
৪–৫ হাত লেপ ২৫০ টাকা,
৫×৫ হাত লেপ ৩৫০ টাকা,
৬×৭ ফিট সাইজের তোষক ৩০০ টাকা,
এবং ৫×৭ ফিট তোষকেও মজুরি ধরা হচ্ছে ৩০০ টাকা।
যা গত বছরের তুলনায় প্রকারভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি।

দোকান মালিকদের জানান, প্রতিদিন ৭–৮টি লেপ তৈরি হচ্ছে। কেউ কেউ আবার পুরোনো লেপ–তোষক ঠিক করিয়ে নিচ্ছেন। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের ব্যস্ততা আরও বাড়বে। বর্তমানে ২–৩ জন কারিগর কাজ করলেও ভরা মৌসুমে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ধুনকররা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়া এবং আগের মতো ব্যবসা না থাকায় মজুরি কিছুটা বাড়াতে হয়েছে। এখন অনেকেই রেডিমেডের ওপর নির্ভর করায় লেপ–তোষক তৈরির আগের মতো সেই হাঁকডাক আর নেই।

উপকরণের দামেও এসেছে বড় পরিবর্তন। লেপ তৈরির ভালো মানের লাল শালুর গজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মাঝারি মানের ৪৫–৫০ টাকা— যা গত বছর ছিল ৫৫ ও ৪০–৪৫ টাকা। তোষক বানানোর কাপড়েও প্রতি গজে ১–২ টাকা দাম বেড়েছে। জাজিমের কাপড় ৯০–১০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০–১৩০ টাকা। গার্মেন্টস ঝুট প্রতি কেজি ২৮–৩০ টাকা, যা গত বছর ছিল ২০–২৫ টাকা। ভালো মানের কালো ব্লেজার তুলা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং লেপের তুলা ৭৫–৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০–৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারিগররা বলছেন, বছরের এই সময়টাই তাদের আয়ের মৌসুম। তবে সারাদিনের শ্রমে সংসার চালাতে কষ্ট হলে তারা এ পেশা ছেড়ে দিতেও বাধ্য হবেন। শীত পুরোপুরি শুরু হলে অর্ডারের চাপ আরও বাড়বে বলে জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat