×
সদ্য প্রাপ্ত:
ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৬
  • ১৩৮ বার পঠিত

রেজাউল করিম, শেরপুর প্রতিনিধি:

সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ি জেলা শেরপুরে শীতের শুরুতেই বেশ শীত অনুভূত হতে শুরু করেছে। শীতের আগমনীতে শহরের লেপ–তোষকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। ধুনকররাও লেপ–তোষক বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর উপকরণের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে কারিগরদের মজুরিও। ফলে বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বিক্রেতা ও কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,
৫–৭ ফিট সাইজের জাজিম তৈরিতে মজুরি ৩০০–৩৫০ টাকা,
৬–৭ ফিট জাজিম ৪০০–৪৫০ টাকা,
৪–৫ হাত লেপ ২৫০ টাকা,
৫×৫ হাত লেপ ৩৫০ টাকা,
৬×৭ ফিট সাইজের তোষক ৩০০ টাকা,
এবং ৫×৭ ফিট তোষকেও মজুরি ধরা হচ্ছে ৩০০ টাকা।
যা গত বছরের তুলনায় প্রকারভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি।

দোকান মালিকদের জানান, প্রতিদিন ৭–৮টি লেপ তৈরি হচ্ছে। কেউ কেউ আবার পুরোনো লেপ–তোষক ঠিক করিয়ে নিচ্ছেন। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের ব্যস্ততা আরও বাড়বে। বর্তমানে ২–৩ জন কারিগর কাজ করলেও ভরা মৌসুমে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ধুনকররা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়া এবং আগের মতো ব্যবসা না থাকায় মজুরি কিছুটা বাড়াতে হয়েছে। এখন অনেকেই রেডিমেডের ওপর নির্ভর করায় লেপ–তোষক তৈরির আগের মতো সেই হাঁকডাক আর নেই।

উপকরণের দামেও এসেছে বড় পরিবর্তন। লেপ তৈরির ভালো মানের লাল শালুর গজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মাঝারি মানের ৪৫–৫০ টাকা— যা গত বছর ছিল ৫৫ ও ৪০–৪৫ টাকা। তোষক বানানোর কাপড়েও প্রতি গজে ১–২ টাকা দাম বেড়েছে। জাজিমের কাপড় ৯০–১০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০–১৩০ টাকা। গার্মেন্টস ঝুট প্রতি কেজি ২৮–৩০ টাকা, যা গত বছর ছিল ২০–২৫ টাকা। ভালো মানের কালো ব্লেজার তুলা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং লেপের তুলা ৭৫–৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০–৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারিগররা বলছেন, বছরের এই সময়টাই তাদের আয়ের মৌসুম। তবে সারাদিনের শ্রমে সংসার চালাতে কষ্ট হলে তারা এ পেশা ছেড়ে দিতেও বাধ্য হবেন। শীত পুরোপুরি শুরু হলে অর্ডারের চাপ আরও বাড়বে বলে জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat