নিজেস্ব প্রতিবেদক
মাইনুল ইসলাম, পিতাঃ সামছুল আলম এর নামে নেত্রকোণা সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের নন্দিপুর গ্রামের, নন্দীপুর সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ভূয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিয়ে চাকুরী করে এসেছে বছরের পর বছর। এ ব্যাপারে সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান মন্ত্রণালয় থেকে সার্টিফিকেট চাওয়ার পর মাইনুল ইসলাম সেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দেন। তাঁহার কাছে সরকারী বেতন গ্রহনের টাকা ফেরত চেয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন উপর মহল থেকে এই ব্যপারে কোন আদেশ আমাকে দেয় নাই। এলাকা বাসীর দাবী সরকারী হাতিয়ে নেওয়া লক্ষ লক্ষ টাকা।
সরকারি কোষা গারে জমা করা হোক। অভিযোগ কারী আমাদের প্রতিনিধিকে জানান মাইনুল ইসলাম এমন কোন অপকর্ম নেই যার সে করে না। তিনি আরও জানান সে গত পেসিষ্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে ভুমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষদের হয়রানি, জুলুম সহ সকল কাজের পেছনে মইনুল ইসলাম এর হাত রয়েছে। মোঃ রফিক মিয়া কথা অনুযায়ী আমাদের প্রতিনিধি অনুসন্ধানে নন্দীপুর এলাকায় লোক জনের কাছে জানতে চাইলে এলাকা বাসী একযোগে সবাই জানান মাইনুল ইসলাম ও তার ভাই খাইরুল ইসলাম এর অত্যাচারে গ্রামে থাকা দায়। আরও অভিযোগ আছে তার বাবা, চাচা, বিক্রি করে যাওয়া জমি তারা তিন ভাই জোড় করে ও মামলা দিয়ে ফেরত নিচ্ছে। তার মধ্যে কয়েকটি মামলা নম্বর যথা ক্রমে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত সদর, নেত্রকোনা। মোকদ্দমা নং ৩৬২/২৫। মোকদ্দমা নং ৬১৭/২৪। এলাকা বাসীর দাবি মাইনুল ইসলাম কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি যাতে করে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক কাজ আর কেউ করার সাহস না পায়।
এ জাতীয় আরো খবর..