সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি :
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। যদিও আমার জন্ম যুদ্ধের প্রায় ১০-১২ বছর পরে, তবে আমি মুক্তিযুদ্ধকে অন করি, মুক্তিযুদ্ধকে প্রাউড করি এবং মুক্তিযুদ্ধকে অন্তরে ধারণ করি। বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই আমি কাজ করতে চাই। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র কায়েম করতে চেয়ে ছিলেন আমিও সেটাই চাই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বহু সময় রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইনশাল্লাহ, আমি কখনো তাঁদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করব না। বরং মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আসীন করতে এবং তাঁদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতেই কাজ করব। আমার এলাকার সব মুক্তিযোদ্ধা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের নিমতলা এলাকার জেমস গ্রিল চাইনিজ রেস্টুরেন্টে শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভায় অধ্যাপক ফখরুদ্দিন রাজি আরও বলেন,সেবা করতে এসেছি, শাসক হতে আসিনি। রক্ষক হয়ে কাজ করব, ভক্ষক হয়ে নয়। আমার রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের ভাতের অধিকার, ভোটের অধিকার এবং মর্যাদার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। মুন্সীগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খিজির আ. সালামের সভাপতিত্বে এবং সিরাজদিখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ওয়াসিম মিয়ার সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান উপজেলা আমির মাওলানা মো. কবির হোসাইন, শ্রীনগর উপজেলা সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান মীর, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমানসহ সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।