×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১১
  • ১১৭ বার পঠিত
বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারদের ৪৫ বছরের বৈষম্যের অবসান ও ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার  ( ১০ ডিসেম্বর)বিকেলে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েন বান্দরবান জেলা শাখার পক্ষ থেকে বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও  সিভিল সার্জন  বান্দরবান কার্যালয়ের ডিসির মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়- বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ নিয়ন্ত্রিত, বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত ৪ বছর ৬ মাস মেয়াদি মেডিক্যাল ডিপ্লোমাধারী ডিগ্রী (ডিএমএফ) মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (গঅঞঝ)। এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত। বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ড সরকারের যৌথ উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল চালু হয়। যেখানে বর্তমানে ৪ বছর ৬ মাস মেয়াদি ডিপ্লেমা চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। সারাদেশে বর্তমানে ১৭টি সরকারি ও ২০৯টি বেসরকারি চালু রয়েছে। বর্তমানে ৩৫ হাজার ডিএমএফ ডিগ্রিধারী নিবন্ধিত চিকিৎসক রয়েছে। এছাড়াও এখনও নিবন্ধন প্রত্যাশী প্রায় ৫০ হাজার ডিএমএফ ডিগ্রিধারী চিকিৎসক এবং প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। ১৯৭৯ সাল থেকে দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে ৮৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে।

দীর্ঘ এই সময় ধরে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। এরমধ্যে তাদের চারটি প্রধান বৈষম্যের কথা তুলে ধরেছেন স্মারকলিপিতে। বৈষম্যগুলো হলো- অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের ন্যায় ১০ম গ্রেডে উন্নীত না করে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করে রাখা, পেশাগত পরিচয় সম্মানজনক উপাধি ডিপ্লোমা ডাক্তার হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া, দীর্ঘ এক যুগ (১২ বছর) এর অধিক সময় ধরে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার পদে নিয়োগ না দিয়ে গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা ধ্বংস করা, আন্তর্জাতিক মানদন্ডে ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা না করা।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি 
ডাঃ অব. আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম,সহ সভাপতি যথাক্রমে আমিনুল ইসলাম, শিথোইচিং মার্মা,রেজাউল করিম,ভবানী দাশ,সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শংকর প্রসাদ দাশ,সহ সাধারন সম্পাদক মাসাংচিং মার্মা,সাংগঠনিক সম্পাদক রবেল দেওয়ান,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্চয় দাশ,অর্থ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান,দপ্তর সম্পাদক যীশু দাশ,সমাজ কল্যাণ নুসরাত সায়মা জিনিয়া,সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রিয়া দে,প্রচার ও প্রকাশনা মিজানুর রহমান, তথ্য ও গবেষণা এএস মং মার্মা, মহিলা বিষয়ক এমি রাখাইন,নির্বাহী সদস্য ফাতেমা বেগম, জন্নাত আরা,অংখ্যমং মার্মা,শারমীন আক্তার ও দয়াময় চাকমা প্রমূখ। 
বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েন বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ অব. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারদের সাথে দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে বৈষম্য করা হচ্ছে। এরমধ্যে চারটি প্রধান বৈষম্য শনাক্ত করা হয়েয়ে। বৈষম্য বিরোধী অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের বৈষম্যহীন সমতার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সারথি হিসেবে আমরা উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার তথা ডিপ্লোমা ডাক্তারগন প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের দৃঢ় বিশ্বাস নোবেল বিজয়ী বৈষম্য বিরোধী মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আমাদের কখনো হতাশ করবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat