×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১৩
  • ৯৩ বার পঠিত
হাবিবুর রহমান হবি, যশোর প্রতিনিধি 

আওয়ামী লীগের আমলে রাজনৈতীক প্রতিহিংসার কারনে করা মামলায় যশোরে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শোয়াইব হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বুধবার রাতে দড়াটানা বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, শোয়াইবের বাবা ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি এবং তার দুই ছেলে শোয়াইব ও জুবায়েরকে শিবির কর্মী হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার শোয়াইবের স্বজনেরা দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে অপবাদ দিতে তাদেরকে জামায়াত–শিবির ট্যাগ দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় শোয়াইবের বাবা সিরাজুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে মোট সাতজনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেছিলেন কুতুবপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য একই গ্রামের শামসুর রহমান। অন্যান্য আসামিরা হলেন, নজরুল ইসলামের ছেলে লোটাস হোসেন, শামসুর বিশ্বাসের ছেলে আসাদুল ইসলাম, মৃত গোলাম মাওলার ছেলে গোলাম কিবরিয়া এবং আব্দুল মান্নানের ছেলে হাফেজ হেলাল উদ্দিন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মাদ্রাসা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ২০২০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে কল করে শামসুর রহমানকে বাইরে যেতে বলা হয়। রাত ১০টার দিকে তিনি সেখানে গেলে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে তাকে মারধর করা হয়। শামসুরের পরিবার এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। বৃহস্পতিবার আদালত চত্বরে শোয়াইবের স্বজনেরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই মূলত এই মামলা করা হয়েছিল। গত ২৫ অক্টোবর অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লস্কর সোহেল রানা এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শোয়াইবের দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অন্য আসামিরা খালাস পান। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নেতারা ডিবি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তারা থানায়ও যান। এমনকি আদালত প্রাঙ্গণেও সারাদিন অবস্থান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat