- প্রকাশিত : ২০২৬-০২-০৪
- ১৪১ বার পঠিত
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি;
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার পানাউল্লারচর গ্রামের মিলন মিয়ার (৪৫) বাবা ফুলমিয়ার ৭০ লাশ একটি এম্বুল্যান্সে করে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার -১ এ নিয়ে যাওয়া হয়। আসামীর চাচা আতাউর রহমান বলেন তার ভাই ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।তিনি গতকাল ভৈরবের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় মারা যান।তারা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে তাদের প্যারোলের আবেদন নামঞ্জুর করে লাশ জেলগেটে নিয়ে দেখানোর নির্দেশ দেন।লাশ জেলখানায় নিয়ে গেলে শুধু তার চাচাকে লাশের সাথে ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।তার চাচা বের হয়ে বলেন আমাদের যেখানে এখন জানাযা পড়ে দাফন কাফনের কথা ছিলো,আমরা বাড়ি থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরে লাশ নিয়ে জেলগেইটে।এছাড়া আর কাউকেভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া না হলে তারা সাধারনভাবে দেকা করেন। কিশোরগঞ্জ জেলখানার জেল সুপার রিতেশ চাকমা বলেন মিলন মিয়া গত ১৪ ডিসেম্বর রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার হবার পর ১৬ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে আসামীর প্যারোল নিয়ে তার তেমন কিছুই করার নেই।প্যারোলের ব্যাপারটি একান্তই সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিষ্টেটের এখতিয়ার।
আসামীর আইনজীবী বলেন উক্ত আসামী কোন সুনির্দিষ্ট মামলায় আটক হয়নি।১৪ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পর ১৯ ডিসেম্বর জামিন হলেও আরেকটি মামলায় তাকে শোন এরেস্ট দেখানো হয়। এর আগে গত বছর ৩ডিসেম্বর পাকুন্দিয়া উপজেলার আরেক আসামীর বাবা মারা গেলে তার লাশও জেলগেটে নিয়ে যাওয়া হয়।এবিষয়ে মানবাধিকার কর্মী আহসানউল্লাহ বলেন একজন আসামী তার পরিবারের কারো মৃত্যুতে প্যারোল পেয়ে থাকেন।আর এটি প্রচলিত আইনেও আছে। কিন্তু ইদানীং সরকার কেনো তুচ্ছ কারন দেখিয়ে তা দিচ্ছেনা তা তারাই ভালো জানেন।
নিউজটি শেয়ার করুন
এ জাতীয় আরো খবর..