×
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-২২
  • ৫০ বার পঠিত

দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কোনো সুনির্দিষ্ট বা প্রত্যক্ষ শর্ত ছিল না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে চলা তীব্র সমালোচনা, রাজনৈতিক অসন্তোষ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্ট ক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সরকারের নীতিনির্ধারক মহল থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য এল।

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল যে, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির শর্ত বা সুপারিশ বাস্তবায়ন করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধারণাকে নাকচ করে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য এবং দেশীয় ভর্তুকির চাপ সামাল দেওয়ার অভ্যন্তরীণ বাধ্যবাধকতার আলোকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তথ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট করে দেন যে, আইএমএফের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা চললেও, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো বাধ্যতামূলক বা সরাসরি শর্ত তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে ইতোমধ্যে গণপরিবহনে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধি এবং বেনাপোলসহ বিভিন্ন স্থলবন্দরে ট্রাকভাড়া ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে সামগ্রিক সাপ্লাই চেইন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে সরকার ওয়াকিবহাল রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে এই সংকট উত্তরণে সরকার বিকল্প উপায় নিয়ে ভাবছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর থেকে অতিরিক্ত চাপ কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের শর্ত থাকার গুঞ্জন উড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করে যে, এটি সম্পূর্ণ সরকারের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি সিদ্ধান্ত। তা সত্ত্বেও, দেশজুড়ে চলা জনঅসন্তোষ ও মূল্যস্ফীতির এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের পরবর্তী অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের ব্যবসায়ী সমাজ ও সাধারণ মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat