×
সদ্য প্রাপ্ত:
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৮
  • ১৮ বার পঠিত
মোঃ অলি উদ্দিন মিলন, বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

​দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেন দীর্ঘদিনের এক অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসী, ওমরাহ ও হজ যাত্রী কিংবা সাধারণ পর্যটক বিমানবন্দরে পা রাখা মাত্রই প্রায় প্রতিটি যাত্রীকেই কোনো না কোনো ধরনের ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অতি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবাসীদের ক্ষোভের ভিডিও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,কারা এই সিন্ডিকেটের পেছনে।

​ভুক্তভোগীদের প্রধান অভিযোগ
​লাগেজ কেটে চুরি ও তালা ভাঙা:
অবতরণের পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেল্টের সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় মেলেনি কাঙ্ক্ষিত ব্যাগ। আর যাও পাওয়া যায়, দেখা যায় ট্রাভেল ব্যাগের চেইন কাটা, চাবি ও লক ভাঙা এবং ভেতরের মূল্যবান জিনিসপত্র হাওয়া। বিমানবন্দরে 'গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং' ও লাগেজ খালাসের সাথে সরাসরি যুক্ত,একটি অসাধু চক্রের যোগসাজশ ছাড়া এমন পরিকল্পিত চুরি অসম্ভব বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।
 
​কৃত্রিম ট্রলি সংকট ও বকশিস বাণিজ্য:
প্রবাসীরা টার্মিনালে নেমে বহু চেষ্টা করেও ট্রলি পান না। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ বা অবৈধ বকশিস আদায়ের উদ্দেশ্যে ট্রলির এক ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা হয়। ট্রলি বের করে দেওয়া কিংবা মালামাল বাইরে পৌঁছে দেওয়ার নামে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা দাবি করা হয়।  

যাত্রীদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও লাগেজের নিরাপত্তার অজুহাতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত দামে লাগেজ র‍্যাপিং করাতে বাধ্য করার অভিযোগও নিয়মিত আসছে।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত প্রবাসী শ্রমিকদের সাথে ইমিগ্রেশন ও বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ কর্মীদের একাংশের আপত্তিকর ও অসৌজন্যমূলক আচরণ হরহামেশাই ঘটে চলেছে।

​এই অপকর্মের নেপথ্যে কারা?
এই অপকর্মগুলো কোনো একক ব্যক্তির দ্বারা নয়, বরং একটি বহুমাত্রিক অপচক্র বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘটছে। ​গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং স্টাফ ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী: লাগেজ খালাস, বেল্টে উঠানো এবং ট্রলি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা,কর্মচারী সরাসরি মালামাল চুরি ও ট্রলি সরানোর কাজে জড়িত বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে।

তদারকির দায়িত্বে থাকা কিছু অসাধু সদস্যের ছত্রছায়াতেই বছরের পর বছর ধরে এসব অপকর্ম প্রকাশ্যে চলমান রয়েছে।
​বহিরাগত দালাল ও অনুমোদনহীন এজেন্সি: লাগেজ পৌঁছানো ও বিমানবন্দর থেকে পরিবহন সরবরাহের নামে সিন্ডিকেট করে উচ্চ ভাড়া আদায় করছে একটি বাহ্যিক চক্র।

​কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রতিকারের তাগিদ
​সম্প্রতি যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে গাফিলতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবুও কাজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়।  

​সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ শতভাগ নিশ্চিত করা, চুরি ও হয়রানির সাথে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করে আইনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া এবং থার্ড পার্টি বা বাইরের অপ্রয়োজনীয় প্রভাব বন্ধ করাই পারে প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক মানের ও নিরাপদ অভিজ্ঞতা প্রদান করতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat