আল মামুন চৌধুরী আশা, বিশেষ প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরিবেশ আরও স্বস্তিদায়ক করতে ১২টি ফ্যান উপহার দেওয়া হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের অনুরোধে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী বিশিষ্ট শিল্পপতি মাসুদ রানার অর্থায়নে ফ্যানগুলো উপহার দেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এলিম বিশ্বাস।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফ্যানগুলো হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
ফ্যানগুলো গ্রহণ করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবিদুর রহমান আবিদ। হাসপাতালের রোগী ও সেবাগ্রহীতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী শিল্পপতি মাসুদ রানার অর্থায়নে ফ্যান দিলেন এলিম বিশ্বাস
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। বিশেষ করে গরমের সময় হাসপাতালের ওয়ার্ড ও অপেক্ষমাণ স্থানে রোগীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় হাসপাতালের জন্য ১২টি ফ্যান উপহার দেওয়ার উদ্যোগকে রোগীদের স্বস্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ উদ্যোগের পেছনে সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের অনুরোধ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী শিল্পপতি মাসুদ রানার আর্থিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁদের সহযোগিতায় এলিম বিশ্বাসের মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ফ্যানগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়।
ফ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক মো. নূর জামাল খসরু, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম রিপন, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুল ইসলাম দাউদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, টগরবন্ধ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী কামরুল ইসলাম খাজা, ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আবু সালে মুসা এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহিরসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় পর্যায়ে জনকল্যাণমূলক কাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, মানুষের মৌলিক সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ উন্নয়নে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রোগীদের সুবিধার্থে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, হাসপাতালের রোগীদের কল্যাণে নেওয়া এ উদ্যোগ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরিবেশ উন্নত করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসী ব্যক্তিরা এলাকার মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসবেন।
রোগীদের সুবিধা ও হাসপাতালের সেবার পরিবেশ উন্নয়নে ১২টি ফ্যান উপহার দেওয়ার এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
এ জাতীয় আরো খবর..