×
সদ্য প্রাপ্ত:
একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত সব পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা তাহসিফ সউরি হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১৪
  • ৪৭ বার পঠিত

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়

পঞ্চগড় সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপসহ (উইনসেরেক্স) কাদেরুল ইসলাম (৪৫) নামের এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১৮ বিজিবি)।

গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টার দিকে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের মিস্ত্রিপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তের অভ্যন্তরে ‘পাটসিঁড়ি’ নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত কাদেরুল ইসলাম পঞ্চগড় সদর উপজেলার বগাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মমির উদ্দিনের ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের (১৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আবদুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েসের নির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। মিস্ত্রিপাড়া বিওপির হাবিলদার সোহেল রানার নেতৃত্বে বিজিবির বিশেষ টহল দল সীমান্ত মেইন পিলার ৪১৭-এর ৬ নম্বর সাব-পিলার এলাকা থেকে আনুমানিক ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহভাজন কাদেরুলকে তল্লাশি করে তাঁর কাছ থেকে ১০০ মিলিলিটারের ৮০ বোতল ভারতীয় 'WINCEREX' নামক নেশাজাতীয় কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩২ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

পরবর্তীতে আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত মালামালসহ তাঁকে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের (১৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আবদুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস জানান, সীমান্তে সব ধরনের চোরাচালান, মাদক পাচার ও অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রয়েছে। তরুণ সমাজ ও দেশকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat