×
সদ্য প্রাপ্ত:
সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী একাত্তরের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, চব্বিশ ছিল রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১১-০৮
  • ১৫ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক:

অবৈধ গ্যাস সংযোগ, পুরোনো পাইপলাইন, মিটার পরিমাপের ত্রুটি এবং সুনির্দিষ্ট বিলিং অসংগতির কারণে গত দুই অর্থবছরে ৫ হাজার ১৪০ কোটি টাকার বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেম লস বেড়ে প্রায় ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা সরকারি অনুমোদিত সীমার প্রায় পাঁচ গুণ।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে সিস্টেম লসের পরিমাণ ২ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ ক্ষতির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪২২ কোটি টাকা। যেখানে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিতাসের সর্বোচ্চ অনুমোদিত সিস্টেম লস মাত্র ২ শতাংশ, সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা বেড়ে ৫.২৮ শতাংশ, পরবর্তী অর্থবছরে ৭.৬৭ শতাংশ, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯.৪৭ শতাংশ এবং বর্তমানে তা ৯.৯৬ শতাংশে এসে ঠেকেছে।

সিস্টেম লস ও আর্থিক ক্ষতির প্রধান কারণসমূহ:

  • অবৈধ সংযোগ ও লিকেজ: ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকের পুরোনো ও ক্ষয়প্রাপ্ত পাইপলাইন এবং নতুন করে স্থাপন করা অবৈধ সংযোগ গ্যাস অপচয়ের অন্যতম বড় কারণ। অভিযান চালিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও তা পুনরায় স্থাপন করা হচ্ছে।

  • মিটারের পরিমাপে অমিল: জিটিসিএলের প্রধান মিটার এবং তিতাসের বিতরণ নেটওয়ার্কের প্রায় ১ হাজার ৫০০টি দ্বিতীয় পর্যায়ের মিটারের পরিমাপে পার্থক্যের কারণেও বড় অংকের গ্যাস হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

  • নির্দিষ্ট হারে বিল আদায়: মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বাস্তবে গ্যাসের ব্যবহার বেশি হলেও নির্ধারিত পুরোনো নিয়মে বিল করায় প্রতিষ্ঠান আর্থিক লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছে।

নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান এসিএনএবিনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিতাস ১৫ হাজার ৪২৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রহণ করলেও গ্রাহকদের কাছে বিল করতে পেরেছে ১৩ হাজার ৮৯২ মিলিয়ন ঘনফুটের। গ্যাস সরবরাহ ও বিল করার এই ব্যবধানে ১ হাজার ৫৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের কোনো বিল পাওয়া যায়নি।

ক্রমবর্ধমানের লোকসানের চিত্র: সিস্টেম লসের পাশাপাশি তিতাসের সার্বিক আর্থিক সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত চার বছরে (২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬) প্রতিষ্ঠানটির মোট নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে কেবল ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নিট লোকসান হয়েছে ৫৯৫ কোটি টাকা (আগের অর্থবছরে যা ছিল ৭৭২ কোটি টাকা)। তবে এতকিছুর মধ্যেও চলতি অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat