ফেনী জেলা প্রতিনিধিঃ
ফেনী শহরের রাজাঝির দিঘির পারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।
গতো কয়েক বছর কয়েক দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলেও পুনরায় আবার শুরু হয় অবৈধ দখলদারিত্ব।
কোন একটি মহলের জোর খাটিয়ে এখানকার ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসন এবং পৌর প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে বারবার ব্যবসা পরিচালনা করে,বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে বলছে কেউ তাদের নিয়ন্ত্রণ করছে না।
বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫ টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ এবং পৌর প্রশাসক গোলাম আহমেদ বাতেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিকল্প ব্যবস্থা করে এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। কয়েক দফায় অভিযান পরিচালনা করলেও কিছুদিন পর আবার এখানে অবৈধ দখল নেয়।
ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে দিঘির পাড় জুড়ে সৌন্দর্যবর্ধণের সুবিধা থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে।
তবে জেলা প্রশাসনের দাবী এবার আর এমন সুযোগ দেয়া হবে না অবৈধ এসব দখলদারদের।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর, ২০১৭ সালের এপ্রিল ও ২০১৯ সালের মার্চে অবৈধ দখলদারিত্ব মুক্ত করেছিল ফেনী জেলা প্রশাসন ও ফেনী পৌরসভা। এছাড়া প্রতি বছরই রাজাঝির দিঘির পাড়ের একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রতি বছরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ বলেন,ফেনীর রাজাঝির দিঘির পাড় একটা ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখানে দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসেন। তাদের নিরাপত্তা ও ঐতিহ্যের কথা চিন্তা করে এখানকার অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও জেলা জেলা প্রশাসন, পৌরসভার উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাজাঝির দিঘির পাড়ের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন এখানে প্রায় সাড়ে তিনশ’ দোকান রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। এখানে ব্যবসা করতে না পারলে এসব পরিবারের মানুষগুলোর না খেয়ে মরার দশা হবে।
অন্য একজন সুমন বলেন,জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা যদি একটি হকার্স মার্কেট তৈরি করে দেয় তাহলে তাদের পুনর্বাসন হতো।
অন্য একজন ব্যবসায়ী বলেন আমাদের এখানে ব্যবসা করে পরিবার চালাতে হয়,আমার কিছু ঋণ রয়েছে এখন আমার উপায় কি ব্যবসা করতে না পারলে কিভাবে ঋণ পরিশোধ করব এর মধ্যে পরিবার ওতো চালাতে হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..