সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারে এস কে এগ্রো ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এ ফাঙ্গাসধরা ও নিম্নমানের ভুট্টার সাথে অটো মিলের তুষ মিশিয়ে চলছে ভুট্টা মাড়াই। এসব ভুট্টা পরবর্তীতে খাদ্য উৎপাদনকারীদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে গরু ও মাছের খাদ্য তৈরির উপকরণ হিসেবে। এতে গবাদিপশু ও মাছের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তাও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় কৃষক ও বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে সংরক্ষিত ভুট্টার একটি বড় অংশে ফাঙ্গাস ধরে যায়। কিন্তু তা নষ্ট ঘোষণা না করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে এসব ভুট্টা সংগ্রহ করে মাড়াই করে খাদ্য কারখানায় পাঠাচ্ছেন। ফলে পশুখাদ্য বাজারে মিশে যাচ্ছে এই দূষিত ভুট্টা।
পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফাঙ্গাসযুক্ত ভুট্টায় ‘অ্যাফ্লাটক্সিন’ নামক একধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয়, যা গবাদিপশুর লিভার, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘদিন এ খাদ্য গ্রহণ করলে দুধ, মাংস ও মাছের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং তা মানুষের শরীরেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নমানের বা নষ্ট ভুট্টা দিয়ে খাদ্য উৎপাদন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। মাঠ পর্যায়ে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, গবাদিপশু ও মাছের খাদ্যে ব্যবহৃত কাঁচামালের মান নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোরতা আনতে হবে। অন্যথায় দেশের খাদ্যশৃঙ্খলে বিষ ঢুকে পড়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।
উল্লেখ্য গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোক্তা অধিকার কর্তৃক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে পুনরায় চলমান রমরমা অবৈধ ব্যবসা।
এস কে এগ্রো ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রোঃ প্রশান্ত ঘোস এর মুঠো ফোনে এ বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান আপনার কাজ আপনি করেন আমার কাজ আমি করবো। কিভাবে কি করতে হয় সেটা আমি ভালো করে জানি।
এ জাতীয় আরো খবর..