×
সদ্য প্রাপ্ত:
পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-০৯
  • ১২৯ বার পঠিত
শফিউল করিম সবুজ:স্টাফ রিপোর্টার :

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতামুহুরি নদী সংলগ্ন জলদাশ পাড়ার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসতভিটা উচ্ছেদের ঘটনায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ। প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন এই বসতভিটাগুলো বর্তমানে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়িত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উচ্ছেদের মুখে পড়েছে।

এনিয়ে আজ ০৯ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০ টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করেন সহস্রাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ। 

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে,ইতিমধ্যে একাধিক দালানকোঠা ও অসহায় পরিবারের কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে পুরোদমে।

জলদাশপাড়ার স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ, ড্রেনের সঠিক পরিমাপে বৈষম্য করা হচ্ছে। একপাশে ৪৮ ফুট এবং অন্যপাশে ৬০ ফুট জায়গা দখল করে ড্রেন নির্মাণের ফলে পরিকল্পিতভাবে তাদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, “আমাদের ওপর অমানবিক অবিচার করা হচ্ছে। উচ্ছেদ হলেও বিকল্প কোনো আশ্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।”

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা একাধিকবার স্থানীয় সরকার চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈষম্যমূলক ভূমিকা পরিহার করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় এই সংখ্যালঘু পরিবারগুলো বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়বে।



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat