×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-০৯
  • ১০৯ বার পঠিত
শফিউল করিম সবুজ:স্টাফ রিপোর্টার :

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতামুহুরি নদী সংলগ্ন জলদাশ পাড়ার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসতভিটা উচ্ছেদের ঘটনায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ। প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন এই বসতভিটাগুলো বর্তমানে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়িত ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উচ্ছেদের মুখে পড়েছে।

এনিয়ে আজ ০৯ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০ টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করেন সহস্রাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ। 

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে,ইতিমধ্যে একাধিক দালানকোঠা ও অসহায় পরিবারের কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে পুরোদমে।

জলদাশপাড়ার স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ, ড্রেনের সঠিক পরিমাপে বৈষম্য করা হচ্ছে। একপাশে ৪৮ ফুট এবং অন্যপাশে ৬০ ফুট জায়গা দখল করে ড্রেন নির্মাণের ফলে পরিকল্পিতভাবে তাদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, “আমাদের ওপর অমানবিক অবিচার করা হচ্ছে। উচ্ছেদ হলেও বিকল্প কোনো আশ্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।”

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা একাধিকবার স্থানীয় সরকার চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈষম্যমূলক ভূমিকা পরিহার করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় এই সংখ্যালঘু পরিবারগুলো বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়বে।



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat