×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-১৩
  • ১৩৫ বার পঠিত
সিলেট ও কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: 


সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর আলম, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দীর্ঘ তিন মাস কারা বাসের পর। হাইকোর্ট থেকে ১২ই নভেম্বর বুধবার জামিনে মুক্তি পেলেন তিনি। জানা যায় ২০২৪ সালের একটি অজ্ঞাত মামলায় তাকে আসামি করা হয়। সে মামলার জের ধরে গত ১৪ ই আগস্ট রাত ৩ঃ০০ টায় ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আলম চেয়ারম্যান কে। পরে দেওয়া হয় সাদা পাথর লুটপাটের মামলা। যদিও এ মামলার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
তার ছোট ভাইরা রাজন আহমেদ জানান, আমার ভাইকে প্রথমে একটি ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেফতার করে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ।

 পরে দেওয়া হয় সাদা পাথর লুটপাটের মামলা যা পুরোটাই পরিকল্পিত ছিল, একটি গ্রুপ প্রশাসনকে টাকা খাইয়ে আমার ভাইকে সাদা পাথর লুটপাটের মামলায় আসামি করেছেন। প্রশাসনের অভিযানে এখন পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জের অনেক স্থান থেকে লক্ষ লক্ষ ঘনফু বালু-পাথর উদ্ধার করেছেন। সেই উদ্ধার লিস্টে আমাদের ফ্যামিলির কারো নাম নেই। প্রশাসন বলতে পারবে না যে আলম চেয়ারম্যানের ফ্যামিলির কোন সদস্যের বাড়িতে অথবা  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে এক সেফটি বালু উদ্ধার করেছেন।


 স্থানীয়রা জানান আলমগীর আলম চেয়ারম্যান ধলাই ব্রিজ রক্ষায় আন্দোলন করেছেন সে আন্দোলনের কারণেই ইজারাদার গোষ্ঠী তাকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। 
অবশেষে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে  হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান আলম চেয়ারম্যান ।  কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার হাজারো উৎসুক  জনতা ভিড় প্রমাণ করে দেয় সে জনগণের কতটা জনপ্রিয়। জনগণ যেন ফিরে পেয়েছে তার প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি যে কিনা সব সময় তাদের সুখে পাশে ছিল। মহাসড়কের গৌরীনগর থেকে তাকে বিশাল সুডাউন আর স্লোগানের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেয় উপজেলা বাঁশি । 
তিনি এই কোম্পানীগঞ্জ আসার পরেই প্রথমে ধলাই ব্রিজ দেখার  সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সেই স্বপ্নের ধলাই ব্রিজে দাঁড়িয়ে বক্তব্যকালে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
তিনি বলেন এই ব্রিজ রক্ষার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আমাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
আমি দীর্ঘ ৯১ দিন জেলেছিলাম। এই ধলাই ব্রিজ,সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান সাহেবের হাতে গড়া  স্মৃতি এবং উত্তর সিলেটের গৌরবের প্রতীক। এই ব্রিজকে আমরা এভাবে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আমি জেল হাজতে বসে বারবার একটি কথাই চিন্তা করছিলাম যে ব্রিজ রক্ষায় আন্দোলন করতে গিয়ে আজ আমার এই করুন পরিনতি, না জানি কি অবস্থা সেই ব্রিজের । তাইতো নিজের ঘরে যাওয়ার আগে ব্রীজটা দেখতে আসলাম । তিনি আরো বলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মাটি ও মানুষের সাথে আমার সম্পৃক্ততা।  দুষ্কৃতিকারীরা পরিকল্পনা করেছিল এই ব্রিজ ধ্বংস করে দিবে । ভেবেছিল আলম চেয়ারম্যানকে জেলে পাঠিয়ে দিলেই তাদের কাজ সহজ হয়ে যাবে । কিন্তু তারা তো জানে না আমি এক আলম চেয়ারম্যান জেলে থাকলেও এ আন্দোলনের মাধ্যমে হাজারো আলম চেয়ারম্যান তৈরি করে রেখে গেছি। পরিশেষে তিনি এলাকাবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা ও প্রকাশ করেন এবং সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat