মিজানুর রহমান মিজান :
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে টঙ্গীতে যুগান্তর স্বজন সমাবেশ এবং শুচি পাঠচক্র ও
পাঠাগারের আয়োজনে বাংলা কথাসাহিত্যের কিংবদন্তি লেখক হুমায়ুন আহমেদ-এর জন্মদিন পালিত
হয়।
শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের যুগান্তার স্বজন সমাবেশ, টঙ্গী শাখার সভাপতি অলিদুর রহমান
অলির সভাপতিত্বে এবং শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান শোভনের
সঞ্চালনায় আলোচনা করেন-সংগঠক শাহীন কাওসার, রফিজুল ইসলাম, কবি ফুয়াদ সরকার,
এম এ মালেক, সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ। হুমায়ুন আহমেদের জীবন ও
সাহিত্য, সিনেমা, নাটক নির্মাণ চিন্তাশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।
শাহীন কাওসার বলেন, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহঙ্গঞ্জে জন্ম নেওয়া এই
সাহিত্য পুরুষ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পাঠধারায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেন। ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার,
নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত
করেছেন ব্যতিক্রমী প্রতিভা দিয়ে।
অলিদুর রহমান অলি বলেন, তার উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশের পর পাঠকদের হৃদয়ে তিনি
দ্রুত স্থান করে নেন। এরপর ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘হিমু’ ও ‘মিসির আলি’
সিরিজসহ অসংখ্য জনপ্রিয় বই তাঁকে মানসিক কণ্ঠস্বরের শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।
শাহাজাহান শোভন বলেন, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও তাঁর সৃষ্টির সফলতা বরাবরই
আলোচিত। ‘আগুনের পরশমনি’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রও তাঁর
নির্মাণশৈলীর সাক্ষী। তার সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধ, জীবন সংগ্রাম, পিছিয়ে পড়া মানুষের এগিয়ে
নেবার প্রত্যয় ফুটে উঠেছে।
বক্তরা আরো বলেন, হুমায়ুন আহমেদ শুধু একজন লেখক নন তিনি ছিলেন অনুভূতির প্রকৃত
রসায়নবিদ। তিনি মানুষের হাসি-কান্না, ভালোবাসা ও জীবনের সাধারণ মুহূর্তকে গল্পে এমনভাবে তুলে
ধরতেন, যেন পাঠক নিজের জীবনই পড়ে। তাঁর সৃষ্টিগুলো আমাদের সাহিত্যজগৎকে সমৃদ্ধ করেছে এবং
নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেছে।
#
১৩.১১.২৫
টঙ্গীতে যুবদলের উদ্যোগে লকডাউনের প্রতিবাদে রাস্তায় মহড়া
মিজানুর রহমান মিজান ।।
গাজীপুরের টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘লকডাউন’এর প্রতিবাদে ও গণতান্ত্রিক চলাচলে বাধা সৃষ্টির
বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যুবদলের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ রাস্তায় মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।টঙ্গীর পাগাড়
এলাকা থেকে শুরু হয়ে টঙ্গী বাজার হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে সাহারা মার্কেট এলাকায়
অবস্থান করেন নেতাকর্মীরা।
মিছিলের নেতৃত্ব দেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব নাজমুল
হোসেন মণ্ডল। এসময় স্থানীয় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত
ছিলেন।অংশগ্রহণকারীরা বলেন, জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লকডাউন
চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের দাবি, এই লকডাউন সরকারের ভয় এবং গণআন্দোলন
দমনের কৌশল মাত্র।যুবদল নেতা নাজমুল হোসেন মণ্ডল বলেন, আমরা তথাকথিত লকডাউনের প্রতিবাদে
শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় মহড়া ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি নয়, বরং সাধারণ মানুষ যেন দুর্ভোগে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা।
এ জাতীয় আরো খবর..