×
সদ্য প্রাপ্ত:
চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০২
  • ১৫৪ বার পঠিত
ফিরোজ খান 
বিশেষ প্রতিনিধি 
নোয়াখালীতে র‍্যাবের  অভিযানে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ,ও পরবর্তীতে জোরপূর্বক সন্তান গর্ভপাতের প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে র‍্যাব নোয়াখালী  ১১ সিপিসি ৩ এর বিশেষ অভিযানে (১) ডিসেম্বর ৪ঃ২০ এ জেলা শহরের মাইজদীতে উক্ত মামলার প্রধান আসামি রাকিব (২৪) পিতা-সফিক উল্যাহ, দরবেশপুর (সফিক উল্যাহর বাড়ী), ০৯নং ওয়ার্ড, ০৪নং কাদির হানিফ ইউপি, থানা-সুধারাম কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রাকিব  মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায় অভিযুক্ত রাকিবের সাথে ভুক্তভোগী মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েটিকে আসামির নিজ এলাকা  নোয়াখালী সুধারাম থানার, কাদির হানিফ ইউনিয়নে বাড়িতে নিয়ে, বিয়ের প্রস্তাবে মতের বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। 
এতে ভুক্তভোগী  সন্তান সম্ভব হয় পড়লে আসামীকে জানায় এবং বিয়ের জন্য অনুরোধ করে। পরবর্তীতে উক্ত আসামী বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করে এক পর্যায়ে অন্যত্র বিয়ে করে। ইতিমধ্যে  গর্ভের সন্তান বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ইং-২৮/১১/২০২৫ তারিখ সকাল ১০ টায় ১নং আসামী সহ অন্যান্য আসামীরা নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানা, নোয়াখালী পৌরসভার হাউজিং এলাকার এক ব্যক্তির বাড়ীতে নিয়ে যায় এবং সুচিকিৎসার কথা বলে বিভিন্ন ঔষধ প্রয়োগ করে। এতে মেয়েটির  তীব্র পেট ব্যথা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে  হাসপাতালে নিয়ে সুচিকিৎসার জন্য অনুরোধ করলে তাকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে। একই তারিখ রাত ১১ টায়  উক্ত ঘরে ভুক্তভোগী মেয়েটি একটি মৃত পুত্র সন্তান প্রসব করে। পরের দিন সকাল ৬ টায় উক্ত বাসা হতে মৃত বাচ্চাসহ মেয়েটিকে  বের করে দেয়। পরে ভুক্তভোগী মেয়েটি  পুলিশকে অবহিত করলে থানা পুলিশ তাৎক্ষনিক মৃত বাচ্চার ময়না তদন্তের ব্যবস্থা  করে। পরবর্তীতে মেয়েটি  বাদী হয়ে  বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলা দায়ের করে।মামলার পর হতে উক্ত আসামী পলাতক ছিল। 
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানায় হস্তান্তর করা হয়,আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat