খন্দকার মোহাম্মদ আলী সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের সদরের নলিছাপাড়া এলাকার কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া চোখ ওপড়ানো মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, বিয়ের জন্য রাজি না হওয়ায় ওই নারীকে হত্যা করেন তাঁর প্রেমিকা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. সোহেল রানা (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সিরাজগঞ্জের সদরের নলিছাপাড়া এলাকার কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া চোখ ওপড়ানো মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, বিয়ের জন্য রাজি না হওয়ায় ওই নারীকে হত্যা করেন তাঁর প্রেমিকা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. সোহেল রানা (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার দুপুরে সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাজরান রউফ।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিহত নারীর নাম মোছা. মরিয়ম বেগম (৪৮)। তিনি সদর উপজেলার খোকসাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানা সদর উপজেলার গুনেরগাঁতী গ্রামের মো. আসাদুল্লাহর ছেলে।
পুলিশ কর্মকর্তা নাজরান রউফ জানান, মরিয়ম বেগম প্রবাসে থাকতেন। প্রায় দুই-তিন বছর ধরে তাঁর সঙ্গে সোহেলের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সোহেল তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তবে মরিয়ম সময় নিতে চাইলে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় এবং তিনি অন্যত্র সম্পর্ক তৈরি করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি জানান, গত ৫ ডিসেম্বর দুজন কাশিয়াহাটা এলাকায় দেখা করেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে সোহেল মরিয়মকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ কলা বাগানে ড্রেনে ফেলে রেখে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় আট ঘণ্টার মধ্যে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর আগে রোববার দুপুরে স্থানীয় লোকজন কাশিয়াহাটা এলাকার আবাদি জমির পাশের একটি কলাবাগানে মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। এ সময় ওই নারীর চোখ উপড়ানো ছিল। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শহিদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।