চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, প্যারামাউন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের সাবেক বোর্ড মেম্বার মরহুম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম ইন্তেকাল করেছেন।
১৪ ডিসেম্বর রবিবার ২০২৫ ইং দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুমের ইন্তেকালে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট গবেষক ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের মানুষ মরহুমের মৃত্যুতে শোকাহত।
এক শোকবার্তায় ডা. এম এম মাজেদ বলেন,মরহুম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিমের ইন্তেকালে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষা জগৎ একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্বকে হারাল। তিনি কেবল একজন দক্ষ ও সফল চিকিৎসকই ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান সংগঠক ও মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ। তাঁর শূন্যতা কখনোই সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
তিনি আরও বলেন,আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মরহুমের অবদান হোমিওপ্যাথি শিক্ষার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নিরলস প্রচেষ্টায় অসংখ্য চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী গড়ে উঠেছে, যারা আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করে যাচ্ছে।
ডা. এম এম মাজেদ আরও উল্লেখ করেন,মরহুম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম আজীবন সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের অনুশীলন করেছেন। শিক্ষা, চিকিৎসা ও সমাজকল্যাণ—এই তিনটি ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন একজন নিভৃতচারী অথচ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, যাঁর কর্ম ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য পথনির্দেশক হয়ে থাকবে। শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন,আমরা মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে ফরিয়াদ জানাই, তিনি যেন মরহুম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিমকে জান্নাতুল ফিরদাউসে স্থান দান করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীদের এই গভীর শোক ধৈর্যের সঙ্গে সহ্য করার তাওফিক দান করেন।
এ জাতীয় আরো খবর..