×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১৮
  • ১৬৮ বার পঠিত
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি।সালাউদ্দিন রানা

সিলেট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এক ঐতিহাসিক জনপদ। পাথরখেকো চক্রের দানবীয় থাবায় বিলীন হয়ে গেছে সিলেটের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্যতম স্মারক ‘শাহ আরেফিন টিলা’। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত  পুরোনো এই টিলার এক চূড়ায় থাকা ঐতিহাসিক মাজারটি এখন শুধুই ইতিহাস। যেখানে একসময় হাজারো ভক্তের সমাগম হতো, সেখানে এখন শুধুই ধু-ধু বালুচর আর ধ্বংসস্তূপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগাতেই দিনের পর দিন পাহাড় কেটে শতকোটি টাকার পাথর লুট করেছে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। এই লুটপাটের ফলে সরকার হারিয়েছে বিপুল রাজস্ব, আর প্রকৃতি হারিয়েছে তার ভারসাম্য। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহ চিত্র সরেজমিনে দেখা যায়, শাহ আরেফিন টিলার অস্তিত্ব বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। টিলার মাটি ও পাথর কেটে এমনভাবে সমতল করা হয়েছে যে, নতুন কেউ গেলে বুঝতেই পারবেন না এখানে একসময় বিশাল পাহাড় ও মাজার ছিল। স্থানীয়রা জানান, প্রভাবশালী পাথরখেকোরা এক্সেভেটর ও বোমা মেশিন ব্যবহার করে টিলাটি ধসিয়ে দিয়েছে। মাজার ধ্বংস করে লুট করা হচ্ছে মাটির নিচের পাথর। পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার মতে, এই ধ্বংসযজ্ঞ শুধু একটি পাহাড়ের মৃত্যু নয়, এটি সিলেটের পরিবেশের জন্য এক অশনি সংকেত। এখনই যদি বাকি টিলাগুলো রক্ষায় ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে কোম্পানীগঞ্জ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। নেপথ্যে যারা: উঠে এল ১৫ জনের নাম অনুসন্ধানে ও স্থানীয় ভুক্তভোগীদের জবানবন্দিতে এই অপরাধের সাথে জড়িত একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নাম উঠে এসেছে। চিকাডহর ও জালিয়ার পার এলাকার এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে টিলা ধ্বংসের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যে অভিযুক্তরা হলো,
চিকাডহরের আনাই,  আনজু, জব্বার,  আব্দু রহিম, খলিল,  আনফর,  আকদ্দুছ। আইয়ুব আলীর পরিবারের নেতৃত্বে, আলীনুর ,শাহিন , ইসমাইল গং পিতা: আইয়ুব আলী।জালিয়ার পার থেকে আব্দুল আলীর পরিবার: নেতৃত্বে, ফয়জুর রহমান, হুশিয়ার, হুসন, সেবুল গং পিতা: আব্দুল আলী। ইসমাইল ,জালিয়ার পার। রাতের আঁধারে পাথর পরিবহনকারী ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচলের কারণে গ্রামীণ ছোট রাস্তা ধ্বংসের পর্যায়ে।জনমনে অসন্তোষ অতিরিক্ত দোলার কারণে ছোট বাচ্চা ও বৃদ্ধদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা। স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ঐতিহাসিক এই  মাজার ও পাহাড় চোখের সামনে গিলে খাচ্ছে পাথরখেকোরা, প্রশাসনের যথাযথ ভূমিকা গ্রহণের দাবি এলাকাবাসীর, অবিলম্বে উল্লিখিত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং লুট হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

কোম্পানীগঞ্জ থানা ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম খান ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া এর সাথে কথা বললে জানা যায়। উপজেলা প্রশাসন এবং থানা প্রশাসন উনাদের অভিযান চলমান রেখেছেন  এই দুষ্কৃতিকারী চক্রের হোতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat