×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-২০
  • ৯৮ বার পঠিত

খন্দকার মোহাম্মাদ আলী,

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :



সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ৪ নং রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের অধীন শ্যামপুর গ্রামে অনৈতিক ও নিয়মবহির্ভূতভাবে পাকা রাস্তা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভূমি মালিকদের চাষাবাদকৃত ফসলি জমির ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য অনৈতিকভাবে অর্থ বরাদ্দ গ্রহণ করেছেন। ভূমি মালিকদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে নকশাবহির্ভূতভাবে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি), কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রকৌশলী ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের বরাবর রাস্তা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এখনো কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।

নিরুপায় হয়ে ভূমি মালিকরা উক্ত কাজ পাওয়া প্রকৃত ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে না পেয়ে কাজে নিয়োজিত অন্য ঠিকাদার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে কাজ সম্পন্নের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।


অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাজিপুড়া জামে মসজিদ রোড থেকে শ্যামপুর মৌজার মধ্য দিয়ে সংযুক্ত ৬৪০ মিটার রাস্তা (আইডি নং: ১৮৮৪৪৪০৪৫) পাকাকরণের জন্য মাপজরিপ সম্পন্ন করে স্থানীয় কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)-এর সহায়তায় অনুমোদন করানো হয়েছে। অথচ সেখানে কোনো সরকারি রাস্তা নেই এবং সংশ্লিষ্ট সব জমিই ব্যক্তি মালিকানাধীন।

যেসব ভূমি মালিকের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের জমির দাগ নম্বর শ্যামপুর মৌজার অধীনে যথাক্রমে ৭৪০, ৭৪১, ১০৭০, ১০৮২, ১০৬৫, ১০৬৪, ১০৬৬, ১০৮১ ও ১০৬৩। এছাড়াও এলাকার আরও কয়েকজন ভূমি মালিক এ বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করেছেন।

ভূমি মালিকরা বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক তাদের ফসলি জমির ক্ষতি থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে অভিযোগকারী ভূমি মালিকদের পক্ষে আব্দুল মালেক তালুকদার বলেন, “আমাদের ফসলি জমি বিনষ্ট করে পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হলে আমরা চরম ক্ষতির মুখে পড়ব। সরকারিভাবে আমরা কোনো ক্ষতিপূরণ পাইনি। এছাড়া রাস্তাটি নিয়মবহির্ভূতভাবে করার অপচেষ্টা চলছে। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও এখনো কোনো সমাধান পাইনি।”

তিনি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


এলাকাবাসী জানান, শ্যামপুর মৌজার মধ্য দিয়ে ৬৪০ মিটার রাস্তা পাকা করনে জনগণের চলাচলের সুবিধা হলেও অত্ররাস্তা নির্মাণে জমি মালিকদের চরম ক্ষতি হবে। যেহেতু পাকা রাস্তা নির্মাণের পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে  পায়ে হাটার কাচা রাস্তা নির্মাণ করা জরুরী ছিলো যেহেতু কাচা রাস্তা অপ্রয়োজনীয় অবস্থায়  রয়েছে সেখানে পাকা রাস্তা নির্মাণ কতটুকু গুরুত্ববহন করে। বিষয়টি জমির মালিকদের সাথে স্হানীয়ভাবে মতামত না নিয়ে অনিয়মভাবে মাপ জরিপ করিয়া পাশ করানো হয়েছে সেখানে জটিলতা সৃষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিক  আমরা স্হানীয় জনগন রাস্তর প্রয়োজন থাকলেও কোন বিশৃঙ্খলা  সৃষ্টি করে অনৈতিকভাবে রাস্তা নির্মাণ অপ্রাসঙ্গিক মনে করি৷ তাই বিষয়টি এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের নিয়ে সমাধান করা জরুরি। 


এ বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনামিকা নাজরুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat